টার্গেট ২০২১: সবার হাতে মোবাইলফোন

ওমর ফারুক
২৭ জুন ২০১৬, ২১:৩৯আপডেট : ২৭ জুন ২০১৬, ২১:৪৪

সবার হাতে মোবাইলফোন সবার হাতে মোবাইলফোন থাকবে ২০২১ সালের মধ্যে। তখন দেশে টেলিঘনত্ব হবে শতভাগ। বিস্তার ঘটবে ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ডের। সব ইউনিয়ন পরিষদ এসে যুক্ত হবে অপটিক্যাল ফাইবার মহাসড়কে- এমনই আশাবাদকে সামনে রেখে সোমবার মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেলো ‘জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালা ২০১৬’ এর খসড়া।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সচিবালয়ে আয়োজিত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ খবর দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকটি সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আলোচ্য বিষয় ছিল দশটি। এর একটি হলো টেলিযোগাযোগ নীতিমালা সংক্রান্ত।
সচিব বলেন, নতুন বৈশ্বিক জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে বাংলাদেশকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ১০ বছরের জন্য জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রায় থাকছে ২০১৮ সালের মধ্যে টেলিঘনত্ব (নাগরিকদের হাতে টেলিফোনের অনুপাত) ৮০ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত করা। ইন্টারনেটের বিস্তার ৩৪ থেকে ৪৫ শতাংশে, মোবাইল বা ফিক্সড ব্রডব্যান্ডের বিস্তার ৭ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে উন্নীত করা হবে। জেলা ও উপজেলা সদর এবং দুই হাজার ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ বিস্তৃত করা হবে। সব উপজেলা সদরে উচ্চগতির তারহীন ব্রডব্যান্ড সেবাও পৌঁছে দেওয়া হবে।

মধ্যমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা হবে ২০২১ সালের মধ্যে। এ সময়ে শতভাগ টেলিঘনত্ব অর্জন। তখন সবার হাতে মোবাইলফোন বা টেলিফোন থাকবে। ইন্টারনেটের বিস্তৃতি ঘটানো হবে ৬৫ শতাংশ। ব্রডব্যান্ডের বিস্তারও ৪০ শতাংশে উন্নীত হবে। ইউনিয়নগুলো যুক্ত হবে অপটিক্যাল ফাইবার মহাসড়কে। প্রতিটি ইউনিয়নে চলে যাবে উচ্চগতির তারহীন ব্রডব্যান্ড সেবা। এছাড়া দেশের ২০ শতাংশ বাসস্থান ও প্রতিষ্ঠানে উচ্চগতির অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কিং নিশ্চিত হবে।

দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে ২০২৫ সালের মধ্যে। এ সময়ে দেশে ইন্টারনেটের বিস্তার ৯০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া হবে। ৬০ শতাংশ মানুষ পাবে ব্রডব্যান্ড সেবা। উচ্চগতির অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক নিশ্চিত হবে ৫০ শতাংশ বাসস্থান ও প্রতিষ্ঠানে।

সচিব বলেন, টেলিযোগাযোগ নীতিমালা ১৯৯৮, জাতীয় আইসিটি নীতিমালা ২০১৫, জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা ২০০৯ এবং আন্তর্জাতিক দূরপাল্লার টেলিযোগাযোগ সেবা নীতিমালা ২০১০ কে সমন্বিত করে ‘জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালা ২০১৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে। আগামীতে টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত আইনগুলোর সমন্বয়ে একটি আইন করা হবে।

/ওএফ /এএইচ/

আরও পড়ুন-

উৎসবে বাড়ে শ্রেণিবৈষম্য

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি
অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি
পুষ্টিগুণে ভরপুর পাঁচমিশালি সবজি ঘণ্ট
পুষ্টিগুণে ভরপুর পাঁচমিশালি সবজি ঘণ্ট
একদিনে হামে আরও ৪ মৃত্যু
একদিনে হামে আরও ৪ মৃত্যু
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী