আদালতের আদেশ অনুযায়ী ব্যাখ্যা না দেওয়ায় আইন, লেজিসলেটিভ ও ড্রাফটিং এবং সমাজকল্যাণ সচিবের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
আজ সোমবার (৩১ অক্টোবর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের বেঞ্চ তিন সপ্তাহের রুল জারি করেন।
এর আগে শিশু আইনের অস্পষ্টতা নিরসনে সরকারের দুই সচিবের কাছে ব্যাখ্যা চান হাইকোর্ট। আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও ড্রাফটিং উইংয়ের সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।
বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক এবং বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। একইসঙ্গে আবেদনকারীকে পদোন্নতি প্রদান না করাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
আবেদনকারীর পক্ষে আদালতে শুনানি করেন সাবেক বিচারপতি এবিএম আলতাফ হোসেন এবং এহসান জুবায়ের। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ৯৯ জন নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শককে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রদান করে। ওই প্রজ্ঞাপনকে চ্যালেঞ্জ করে রাঙামাটির জুরাইছড়ি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিটটি দায়ের করেন।
/ইউআই/এসটি/








