রাজধানীর ধানমণ্ডির একটি সড়কের নামফলকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিয়ে উদ্ধৃত বিভ্রান্তিকর তথ্য আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সংশোধন করা হবে। বৃহস্পতিবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এমএ রবকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি উল্লেখ করে ফলক স্থাপনের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। এ সংক্রান্ত বাংলা ট্রিবিউনের রিপোর্টটির কথা আজই আমি জানতে পেরেছি। এক সপ্তাহের মধ্যে তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’ বিভ্রান্তিমূলক তথ্যসম্বলিত নামফলক নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশের জন্য বাংলা ট্রিবিউনকে ধন্যবাদ জানান বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার এই কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত, অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন ২০০৬ সালে ধানমণ্ডির ২ নম্বর সড়কের নামকরণ করে ‘বীর উত্তম এমএ রব সড়ক’। এ লক্ষ্যে জিগাতলা সংলগ্ন বিজিবি গেইটের সামনে সড়ক ডিভাইডারের ওপর প্রথমে একটি নামফলক এবং ২০০৮ সালে একটি ম্যুরাল স্থাপন করে সিটি করপোরেশন। এই নামফলক ও ম্যুরালে বীর উত্তম এমএ রবকে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।বিষয়টি নিয়ে বুধবার রাতে বাংলা ট্রিবিউনে মুক্তি বাহিনীর প্রধান সেনাপতি কি এমএ রব? শিরোনামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ হলে সংশ্লিষ্টদের টনক নড়ে।
বাংলাদেশের সকল দলিল-দস্তাবেজ অনুযায়ী, মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন মেজর জেনারেল এমএজি ওসমানী। ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে দেওয়া ভাষণে জেনারেল এমএজি ওসমানীকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে ঘোষণা দেন। সে বছর ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকার জেনারেল ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিয়োগ করে। অন্যদিকে ওসমানীর অধীনে চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পান মোহাম্মদ আবদুর রব। তিনি পূর্বাঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেন।
ওএফ/ এপিএইচ/








