গত ১২ ডিসেম্বর ধানমণ্ডির ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় চিকিৎসকের ‘গাফিলতি’র অভিযোগে জাতীয় বক্ষব্যাধি ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাঈমুল হক শাম্মীর মৃত্যু হয়। এই মৃত্যুর ঘটনা বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) তদন্ত করবে বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন সংগঠনটির মহাসচিব ডা. ইকবাল আর্সলান।
এ বিষয়ে বিএমএ’র দেওয়া চিঠির জবাব দিয়েছে ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতাল। চিঠিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ১২ ডিসেম্বর ডা. শাম্মী ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি হন। একইদিনে সব নিয়ম মেনেই তাকে ক্যাথল্যাবে নেওয়া হয় এবং সিএজি সম্পন্ন হয়। সিএজিতে তার সিভিয়ার টিভিডি পাওয়া যায়। চিঠিতে আরও বলা হয়, ডা. ওয়াদুদ ক্যাথল্যাব থেকে বেরিয়ে পরবর্তী চিকিৎসা ব্যবস্থা বিষয়ে কন্ট্রোল রুমে অপেক্ষমান ডা. শাম্মীর নিকট আত্মীয়দের সঙ্গে যখন কথা বলছিলেন, তখন হঠাৎ করেই ডা. শাম্মীর অবস্থা খারাপ হয়।
ডা. ওয়াদুদ সঙ্গে সঙ্গে ক্যাথল্যাবে প্রবেশ করে দেখেন, ডা. শাম্মীর প্যানিক অ্যাটাকসহ হাইপারভেন্টিলেশন এবং হার্ট ফেইলিয়র ডেভেলপ করেছে। এ ধরনের ইমারজেন্সি অবস্থায় যা যা দরকার অর্থাৎ ইমিডিয়েট ইনটিউবেশন, টিপিএম, সিপিআর, ডিসি শকসহ জীবনরক্ষাকারী ওষুধ দেওয়া হয় এবং রোগীকে সিসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে ডা. শাম্মী আমাদের ছেড়ে চলে যান।
এদিকে, ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরীও বিএমএকে চিঠির জবাব দিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, আমি আমার সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও দায়িত্ববোধ দিয়ে ডা. শাম্মীকে সুস্থ করার চেষ্টা করেছি। আজ শনিবার বিকালে এই চিঠি বিএমএ কার্যালয়ে পৌঁছেছে বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন সংগঠনটির মহাসচিব ডা. ইকবাল আর্সলান। তিনি বলেন, ‘এখন একটি কমিটি করবে বিএমএ। এই কমিটি ডা. শাম্মীর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তদন্ত করবে।’
আরও পড়ুন: চিকিৎসকের মৃত্যুতে কাঠগড়ায় ল্যাবএইড!
জেএ/এএআর/আপ-এমও/








