রাজধানী মিরপুরের দারুস সালাম থানার ভাঙা ওয়াল এলাকায় থাকা ‘জঙ্গি’ আবদুল্লাহ আইপিএস তৈরির কাজ করতো বলে জানিয়েছেন র্যাবের এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘সে আইপিএস তৈরির কাজ করে। কয়েক বছর আগে দারুস সালাম এলাকায় তার একটি দোকান ছিল। কিন্তু ব্যবসায় লস হওয়াতে দোকান ছেড়ে দেন। এখন বাসায় বসেই কাজ করেন।’
তিনি আরও বলেন, এছাড়াও আবদুল্লাহ বিভিন্ন প্রজাতির কবুতরের ব্যবসা করেন। তার এক ছেলের বয়স ৮ বছর। অপর ছেলের বয়স চার বছর।
র্যাবের ওই কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, পঞ্চম তলায় সন্দেহভাজন জঙ্গি আব্দুল্লাহ থাকেন। তিনি তার দুই স্ত্রী, দুই ছেলে ও মাকে নিয়ে ওই বাসায় ভাড়া থাকেন।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, আব্দুল্লাহর গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার আলোকদিয়ায়। তার বাবা মৃত মীর ইউসুফ আলী।
দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিমুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ২০০৩ সাল থেকে এই এলাকায় আবদুল্লাহ ভাড়া থাকে। তার সব তথ্য থানা থেকে সরবরাহ করা ভাড়াটে তথ্য ফরমে আছে। এই বাসাটিতেও তিনি ৭/৮ বছর ধরে ভাড়া থাকে।
সোমবার গভীর রাতে এ অভিযান শুরুর পর কমপক্ষে পাঁচটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: দারুস সালামের ‘জঙ্গি আস্তানা’ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে








