আগামী জাতীয় নির্বাচনে জিততে না পারলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আগামী নির্বাচন অনেক কঠিন হবে। মনে রাখতে হবে আমরা যদি জিততে না পারি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ হয়ে যাবে। মানুষ দরিদ্র হয়ে যাবে, সামাজিক নিরাপত্তার কাজ বন্ধ হয়ে যাবে, শিক্ষার হার কমে যাবে।’
শনিবার (৭ জুলাই) গণভবনে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
দলীয় নেতাকর্মীদের মানুষের কাছে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়ে শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘বলতে হবে- আমাদের শক্তি জনগণ, জনগণের কল্যাণে আওয়ামী লীগ কাজ করে।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘গ্রামের মানুষকে বলতে হবে- আপনাদের ভোট চাই, আপনাদের কল্যাণে, উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আপনাদের কাজ হলো আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করা, আওয়ামী লীগ যে জনগণের দল এটা তাদের মধ্যে তুলে ধরতে হবে। ক্ষমতায় থেকে যেসব কাজ আমরা করেছি তা জনগণের কাছে তুলে ধরবেন, ভবিষ্যতে কী কাজ করবো তাও তুলে ধরবেন।’
যাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে তাদের পক্ষে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘যাকে নৌকা দেবো তার পক্ষে কাজ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, নৌকা যেন না হারে। একটা সিটে না জিতলে কী হবে- এমন মনোবৃত্তি যেন কারও মধ্যে না থাকে। একটা সিটও হারাবো না সকলকে এই মনোবৃত্তি নিয়ে কাজ করতে হবে।’
তৃণমূল নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘সংগঠনকে সুসংগঠিত করা হলো আপনাদের প্রথম কাজ। কারণ, আওয়ামী লীগই একমাত্র দল যারা মানুষের কথা ভাবে, চিন্তা করে ও কাজ করে। এ কথাগুলো গ্রামে গ্রামে গিয়ে তুলে ধরবেন। মানুষকে বলবেন- নৌকায় ভোট দিয়েছে বলে সুফল পেয়েছে।’
এসময় শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মানে নিজের ভাগ্য গড়া নয়, এটা বিএনপি জামায়াতের কাজ। দুর্নীতি, লুটপাট অর্থ আত্মসাৎ এমনকি এতিমের টাকা মেরে খায়। খালেদা জিয়ার আরও দুর্নীতির কাহিনী আছে।’
দলের শৃঙ্খলার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সহযোগী সকল সংগঠনও সুসংগঠিত হয়ে যেন নিয়ম মেনে চলে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’
আরও খবর: দ্বন্দ্ব নিরসন করে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: তৃণমূলকে শেখ হাসিনা








