‘ক্ষতিগ্রস্ত অভিবাসীদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৈশ্বিক সংহতি দরকার’

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২১:৩০, জুন ০৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৩২, জুন ০৬, ২০২০

রাবাব ফাতিমাকোভিড-১৯ মহামারি প্রাক্কালে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অভিবাসীদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়  ‘বৈশ্বিক সংহতি ও সহযোগিতা’ ও ‘সুদৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা’ প্রদর্শনে আহ্বান জানালেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। শুক্রবার ( ৫ জুন) ‘কোভিড-১৯ এর প্রাক্কালে অভিবাসন: অভিবাসীদের স্বাস্থ্য ও রেমিট্যান্স’ শীর্ষক এক উচ্চ পর্যায়ের ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ নিয়ে এই আহ্বান জানান তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় অভিবাসন সংক্রান্ত সমমনা দেশগুলো এই ভার্চুয়াল আলোচনার আয়োজন করে।
রাবাব ফাতিমসা বলেন, ‘অভিবাসীরা হচ্ছেন তাদের গ্রহণকারী দেশগুলোর উন্নয়নে অবদান রাখা প্রথম সারির কর্মী। ফলে ওইসব দেশগুলো কোভিড-১৯ মোকাবিলা ও উত্তরণে যে পরিকল্পনা ও প্যাকেজ নিচ্ছে তাতে অবশ্যই অভিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত রাখতে হবে’। অনেক দেশ থেকে অভিবাসীদেরকে জোরপূর্বক নিজ দেশে ফিরে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে মর্মে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, প্রত্যাবর্তনকারীদের ব্যবস্থাপনা অনেক উন্নয়নশীল দেশের জন্য একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রচেষ্টায় অবশ্যই জাতিসংঘসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদার ও অংশীজনদের সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা জাতিসংঘ মহাসচিবের ’পিপল অন দ্যা মুভ’ শীর্ষক নীতি-বিবৃতিকে স্বাগত জানান যাতে অভিবাসীদের উপর কোভিড-১৯ এর সুদূর-প্রসারী প্রভাবের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। করোনার কারণে সৃষ্ট মন্দা সত্ত্বেও রেমিট্যান্স প্রবাহ সচল রাখার গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের ‘কল টু অ্যাকশন-রেমিট্যান্সসেস্ ইন ক্রাইসিস’ শীর্ষক যৌথ বিবৃতিকেও স্বাগত জানান তিনি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড, মেক্সিকো ও বেনিন যৌথভাবে অভিবাসন সংক্রান্ত সমমনা দেশগুলোর গ্রুপের সহ-আহ্বায়ক। আয়ারল্যান্ডের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও প্রবাসী মন্ত্রী সিয়ারান ক্যানন টিডিসহ অভিবাসী প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী দেশসমূহের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রাষ্ট্রদূত উচ্চ পর্যায়ের এই আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া এসডিজি অর্থায়ন বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত ড. মাহমুদ মোহাইয়েলদিন, আইএফএডি, ডব্লিউএইচও এবং অন্যান্য জাতিসংঘ সংস্থাগুলোর উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন।

বক্তারা উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং নারীর ক্ষমতায়নে অভিবাসন ও রেমিট্যান্সের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্বীকার করে এর ওপর কোভিড-১৯ এর প্রভাব উন্নয়নশীল দেশগুলোকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে মর্মে মতামত দেন।

 

/এসএসজেড/এমআর/

সম্পর্কিত

লাইভ

টপ