রাজধানীর বংশালে ছয়তলার ছাদ থেকে ‘পড়ে’ আফরোজা আক্তার (২৫) নামের এক গৃহকর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া রাজধানীর হাজারীবাগের রায়েরবাগে মেহেদী হাসান (২৬) নামের এক ব্যবসায়ী স্বজনদের সঙ্গে অভিমান করে এবং রাজধানীর উত্তরায় হৃদয় হাসান নামের এক তরুণ ‘আত্মহত্যা’ করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বংশাল থানার এসআই চিত্ত রঞ্জন রায় বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বিকাল ৫টার দিকে বংশালের আবদুল হাজী লেনের ৪০/এ নম্বর বাড়ির ছয়তলার ছাদে কাপড় আনতে যান আফরোজা আক্তার। হঠাৎ পা ফসকে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক আফরোজাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বাবার নাম মৃত আনসার আলী। বরিশালের বাকেরগঞ্জে তার বাড়ি।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ২২ নম্বর রোডের ৩৬ নম্বর বাড়িতে নিজ কক্ষে বিষপানে আত্মহত্যা করেন হৃদয় রহমান (১৮) নামের এক তরুণ। সে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলো। তার মা রহিমা বেগম জানান, বিষপানের পর তারা দ্রুত তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ও পরে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই হৃদয় মারা গেছেন। তার বাবার নাম গোলাম মোস্তফা। তিনি মালেয়েশিয়া প্রবাসী। কী কারণে হৃদয় বিষপান করলো সেটা তারা বুঝতে পারছেন না।
রায়েরবাগের ২৯৪/৪ নম্বর বাড়ির চারতলার বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন মেহেদী হাসান (২৬)। রায়েরবাগ এলাকায় তার লেপতোষকের ব্যবসা রয়েছে। কয়েকমাস আগে তিনি বিয়ে করেন। কয়েকদিন আগে স্ত্রী ইতি আক্তার বেড়াতে যান বাপের বাড়িতে। নিহতের মা সমত্ত বেগম ঘটনার সময় বাজারে ছিলেন। কী কারণে হাসান আত্মহত্যা করলেন সেটা জানাতে পারেননি তার মা। ময়না তদন্তের জন্য মৃতদের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।
/এজে/







