কারাবন্দী তিন আসামির জামিননামা দাখিলের পরও কারামুক্তি না দেওয়ায় দুই জেলার ও সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী আদালতে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তারা হলেন, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির, কাশিমপুর কারাগার-১ এর জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা ও অ্যাডভোকেট অন-রেকর্ড সুফিয়া খাতুন।
গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফরিদ আহম্মদ ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ব্যাখ্যা চাইলে আজ সোমবার আইনজীবীর মাধ্যমে তারা তাদের ব্যাখ্যা দেন। আগামী ১৫ জুন এ বিষয়ে আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।
ব্যাখ্যা চেয়ে আদালত বলেছিলেন, ‘প্রতিদিনই অনেক আসামির কারামুক্তি বাধাগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ আমরা পাচ্ছি। জামিননামা পাওয়ার পরও তাদের মুক্তি না দেওয়ায় তারা হাইকোর্টের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছেন।’
প্রসঙ্গত, অর্থপাচারের অভিযোগ এনে গত ২ জানুয়ারি রামপুরা থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। এই মামলায় গত ৮ মে পাঁচ আসামিকে জামিন দেন হাইকোর্ট। ১৬ মে জামিননামা কারাগারে যাওয়ার পর দুই আসামিকে মুক্তি দিলেও অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড সুফিয়া খাতুনের একটি চিঠির জন্য তিন আসামি- গিয়াস উদ্দিন, আমিনুর রহমান ও ওসমান গণিকে মুক্তি দেয়নি কারা কর্তৃপক্ষ। ওই চিঠিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপক্ষ জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাবে।
আরও পড়ুন:
তনুর দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আদালতে
/ইউআই/এসটি/ এপিএইচ/








