রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে শেফের সহকারী হিসেবে কাজ করতো শাওন। গত শুক্রবার সেখানে জঙ্গি হামলায় শাওন জীবিত না মৃত তার সন্ধান চান মা মাসুদা বেগম।
রবিবার বিকেলে গুলশানের ওই রেস্টুরেন্টের সামনে বাংলা ট্রিবিউনকে এসব কথা বলেন শাওনের মা মাসুদা বেগম।
জানা যায়, শাওন গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ নয়াপাড়ায়। মা-বাবার সঙ্গে সেখানে ভাড়া বাসায় থাকতেন। বাবা আব্দুল সাত্তার। তিন ভাইয়ের মধ্যে শাওন বড়। অন্য দুজন হলো- আব্দুল্লাহ ও আরাফাত।
মাসুদা বেগম বাংলা ট্রিবিউনকে জানায়, শুক্রবার রাতে মোবাইলে তার সঙ্গে সবশেষ কথা হয়েছে। তখন মোবাইলে সে জানিয়েছিল বোনাস পেয়েছি, বেতন পাবো রবিবার। তারপর চলে আসবো। আমার কাছে সুবিধা মনে হচ্ছে না মা। আমি বুঝতেছি না কি হচ্ছে। পরবর্তীতে টিভিতে জানতে পারি এখানে গন্ডোগোল হয়েছে। এরপর থেকে শাওনের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, টিভিতে এ ঘটনা দেখে শুক্রবার রাতেই আমি এখানে চলে আস। তবে আজ পর্যন্ত কোথাও শাওনকে খুঁজে পাচ্ছি না।
তিনি আরও জানান, এক বছর আগে মেহেদী নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে শাওন এ রেস্টুরেন্টে কাজ পায়। তিনি নিজে রাস্তায় পিঠা বিক্রি করেন এবং ছেলে এ রেস্টুরেন্টে কাজ করতো।
কান্না জড়িত কণ্ঠে মাসুদা বেগম বলেন, ছেলে জীবিত না মৃত তা জানতে চাই।
/এআরএর/এসএনএইচ/








