ডেসটিনির দুই মামলায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রফিকুল আমীনসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার ১ নম্বর সিনিয়র বিশেষ আদালতের বিচারক মো. কামরুল হোসেন মোল্লা দুই মামলায় অভিযোগ গঠন করেন। একইসঙ্গে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করে মামলাটি বিচারের জন্য বিশেষ জজ আদালত-৫-এ পাঠিয়েছেন বিচারক।
২০১২ সালের ৩১ জুলাই অর্থপাচারের অভিযোগে রাজধানী কলাবাগান থানায় ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ৪ মে দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ৪ হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ ১ হাজার ১৮২ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ডেসটিনির মোট ৫১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন, ডিটিপিএল ও ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রফিকুল আমীন, ডিটিপিএলের চেয়ারম্যান ও ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এম হারুন-অর-রশিদ, ডেসটিনির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন, ডেসটিনি গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ গোফরানুল হক (ডেসটিনির সাবেক পরিচালক ও ডিএমডি), ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাঈদ-উর-রহমান (ডেসটিনির সাবেক পরিচালক), ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মেজবাহ উদ্দিন (সাবেক পরিচালক), ডেসটিনির পরিচালক সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ সানী, ফারহা দিবা, জামশেদ আরা চৌধুরী, গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার শেখ তৈয়েবুর রহমান (সাবেক পরিচালক ডেসটিনি), ভাইস প্রেসিডেন্ট নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস (ডেসটিনির সাবেক পরিচালক), ডেসটিনির শেয়ারহোল্ডার ও পিএইডি এক্সিকিউটিভ জসিমউদ্দিন ভুঁইয়া, ডেসটিনির শেয়ারহোল্ডার ও ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ জাকির হোসেন, এস এম আহসানুল কবির, জুবায়ের সোহেল, মোসাদ্দেক আলী খান, আব্দুল মান্নান, ডেসটিনির শেয়ারহোল্ডার ও ক্রাউন এক্সিকিউটিভ আবুল কালাম আজাদ।
২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় ২২ জনকে আসামি করে আরও একটি মামলা করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ১ হাজার ৮৬১ কোটি ৪৫ লাখ ২৩ হাজার ৯৫৫ টাকা পাচারের অভিযোগে মোট ৪৬ জনকে আসামি করে আদালেত চার্জশিট দাখিল করা হয়।
এ মামলার আসামিরা হলেন ডেসটিনির এমডি ও ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল আমীন, ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) এম হারুন-আর-রশিদ, চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন, সাবেক ডিএমডি মোহাম্মদ গোফরানুল হক, সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ সাঈদ-উর-রহমান, মো. মেজবাহ উদ্দিন (স্বপন), ডেসটিনির পরিচালক সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ সানী, ফারহা দিবা, জামশেদ আরা চৌধুরী, সাবেকপরিচালক ইঞ্জিনিয়ার শেখ তৈয়েবুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, ডিএমসিএসএলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আজাদ রহমান, সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো. আকবর হোসেন সুমন, ডিএমসিএসএলের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, সাইদুল ইসলাম খান (রুবেল), মো. সুমন আলী খান, শিরীন আক্তার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মো. মজিবুর রহমান, ডায়মন্ড বিল্ডার্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও গ্রুপের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম, বেস্ট এভিয়েশন লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. এম হায়দারুজ্জামান, উপদেষ্টা মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, সাবেক হেড অব ফিন্যান্স কাজী মো. ফজলুল করিম, সাবেক সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মোল্লা আল আমিন, ইসলাম ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনালের মালিক মো. শফিউল ইসলাম, এক্সিকিউটিভ মো. জিয়াউল হক মোল্লা, সাবেক ম্যানেজার সিকদার কবিরুল ইসলাম, এক্সিকিউটিভ মো. ফিরোজ আলম, মমতাজ এন্টারপ্রাইজ ও গোল্ডেন লাইন অ্যাসোসিয়েটের মালিক ওমর ফারুক, ডেসটিনি গ্রুপের কন্ট্রোলার সুনীল বরণ কর্মকার, ডেসটিনি এয়ার সিস্টেমস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আকতার, ডেসটিনি নিহাজ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস সহিদুজ্জামান চয়ন, ডায়মন্ড বিল্ডার্সের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান তপন, ডিএমসিএসএলের সহ-সভাপতি মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খান, সম্পাদক এস এম আহসানুল কবির (বিপ্লব), সাবেক কোষাধ্যক্ষ এ এইচ এম আতাউর রহমান রেজা, সদস্য গোলাম কিবরিয়া (মিল্টন), মো. আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, এ কে এম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন, ডেসটিনির ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ জেসমিন আক্তার (মিলন) ও ডেসটিনি গ্রুপের অ্যাডভাইজার মো. শফিকুল হক।
এ মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এম হারুন-অর-রশিদ জামিনে আছেন। গ্রেফতার আছেন ছয়জন। বাকিরা পলাতক।
/এসআইটি/বিটি/এমএনএইচ/








