মানবিক দিক বিবেচনা করে শর্ত সাপেক্ষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের সামনের সড়কে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স রাখতে পারবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘রাস্তায় কোনও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে লাইন ধরে ৪ থেকে ৫টি বৈধ গাড়ি রাখা যাবে। এর বেশি গাড়ি রাখা যাবে না। এই ছাড়টুকু শুধুমাত্র মানবিক দিক বিবেচনা করে দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাস্তার ওপর এলোমেলোভাবে অসংখ্য গাড়ি রাখার সুযোগ নেই। শুধুমাত্র বৈধ কাগজ যাদের আছে তারা রাস্তায় গাড়ি চালাতে পারবে। বাকিদের চলতে দেওয়া হবে না।’
গত ১৫ অক্টোবর সকালে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ফটকে অ্যাম্বুলেন্স চাপায় শিশুসহ নিহত হন চারজন। এরপর থেকেই নিরাপত্তার অজুহাতে সব গাড়ি সড়িয়ে নেয় বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের মালিক-চালকরা। গত দুই দিন অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েন রোগী ও স্বজনরা। এরই প্রেক্ষিতে মানবিক দিক বিবেচনা করে শর্ত সাপেক্ষে রাস্তার ওপর গাড়ি রাখতে পারবে বলে জানায় পুলিশ।
এদিকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন রোগীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মেলেনি অ্যাম্বুলেন্স। ফলে বাধ্য হয়ে রিক্সা বা সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের।
সোমবার সরেজমিনে ঢামেক ঘুরে দেখা গেছে, জরুরি বিভাগের সামনে ও ফটকের পাশে খুব একটা অ্যাম্বুলেন্স নেই। যে কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স রোগী নিয়ে এসেছে, তারাও ঢামেক থেকে রোগী নিয়ে ফিরতে বাধার মুখে পড়েছেন।
দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর ট্যাক্সি করে অসুস্থ বাবাকে নিজের কোলে শুইয়ে বাসায় ফিরতে হয়েছে দিদারুল ইসলামকে। তিনি বলেন, 'সাড়ে ১১টায় রিলিজ পেয়ে দুই ঘণ্টা খুঁজেও অ্যাম্বুলেন্স পাইনি। শেষে বাধ্য হয়ে ট্যাক্সি নিয়েছি।'
/আরজে/এমও/








