প্রযুক্তির বিকাশ, প্রযুক্তিভিত্তিক অপরাধ ও অপরাধের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি পুলিশের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একইসঙ্গে পুলিশের প্রতি জনগণের প্রত্যাশাও বেড়েছে।দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে এ বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক।
আজ বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষে ‘লিডারশিপ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কোর্স ফর সিনিয়র পুলিশ এক্সিকিউটিভ’ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।আহ্বান জানিয়ে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক আরও বলেন, ‘পেশাদারীত্বের সঙ্গে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধী শনাক্ত করে অপরাধ দমন করতে হবে। জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ পুলিশের অনেক সাফল্য রয়েছে। যা দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে।কিন্তু সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অর্থায়নের উৎসের সন্ধান জানা পুলিশের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়নের উৎস বের করার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগাতে হবে ।’
পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর এম সাদিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভাইস রেক্টর মোহাম্মদ ইব্রাহিম ফাতেমী, কলেজের অনুষদ সদস্যরা এবং প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। পাঁচ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কোর্সে ডিআইজি এবং অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার ১৯ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। বৃহস্পতিবার বিকালে আইজিপি প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাই কমিশনার বেনো পিয়েরে লাঘামে বক্তব্য রাখেন।
এর আগে সকালে পুলিশ স্টাফ কলেজে মানি লন্ডারিং ও টেরোরিস্ট ফাইনান্সিং কোর্সের সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এ সমস্যার সমাধান কোনও একক দেশের পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সমন্বয়।
/জেইউ/এপিএইচ/








