২১ মে, ২০০৪
সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে গ্রেনেড হামলা। ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীসহ আরও ৭৬ আহত । নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন।
২১ মে, ২০০৪
অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে সিলেট কোতোয়ালি থানায় পুলিশের মামলা দায়ের।
৩১ জুলাই, ২০০৭
হরকাতুল জিহাদের (হুজি) নেতা মুফতি আবদুল হান্নান, শরীফ শাহেদুল আলম বিপুল, দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপন ও মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে মফিজকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল।
পরবর্তীতে সম্পূরক চার্জশিটে জঙ্গি মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দালের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
২৩ ডিসেম্বর, ২০০৮
সিলেটের বিচারিক আদালত মুফতি আবদুল হান্নান, শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল ও দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপনকে মৃত্যুদন্ড এবং মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ ও মুফতি মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
১৪ জুলাই, ২০১৬
নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন মুফতি হান্নান ও শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল।
৭ ডিসেম্বর, ২০১৬
হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন। এরপর আসামিরা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে রিভিউ আবেদন করেন।
২২ মার্চ, ২০১৭
আসামিদের রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।
২৭ মার্চ, ২০১৭
রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করে মুফতি হান্নানসহ অন্য দুই আসামি।
রাষ্ট্রপতি তিন জঙ্গির প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দেন।
১২ এপ্রিল, ২০১৭
১২ এপ্রিল রাত ১০ টায় কাশিমপুর কারাগারে মুফতি হান্নানের ফাঁসি কার্যকর হয়।
/এআরআর/ এপিএইচ/








