রাজধানীর শ্যামপুর থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ ও তার গাড়িচালক হারুনুর রশিদকে হত্যা মামলায় ছয় জনের ফাঁসি ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।
ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক জাহেদুল কবির আজ (মঙ্গলবার) এই রায় দেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রায়হান খোকন (পলাতক),মো. হীরা, জাকির হোসেন (কারাগারে), জাভেদ প্রিন্স (কারাগারে), মো. জুম্মন (কারাগারে) ও আরিফ হোসেন (কারাগারে)।
যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- শরীফুল ইসলাম (জামিনে বের হয়ে পলাতক)ও কালা আমির (পলাতক)।
এ মামলায় খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন-শাহ আলম প্রধান, শফিকুল আলম সুমন, মো. ইমন ও মো. মিলন ।
খালাস পাওয়া দুই আসামির আইবজীবী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, শাহ আলম প্রধান, শফিকুল আলম সুমন মামলার শুরু থেকে আজ (মঙ্গলবার) রায় ঘোষণার দিন পর্যন্ত কারাগারে ছিলেন। তারা যে খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না,রায়ে সেটা প্রমাণিত হলো। এই দুজনের সাত বছর কারাবাসের ক্ষতিপূরণ কে দেবে?
উল্লেখ্য, একটি বাড়ি দখলকে কেন্দ্র করে ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শ্যামপুর থানার জুরাইনে খুন হন আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ উল্লাহ ও তার গাড়িচালক মো. হারুনুর রশিদ।
এ ঘটনায় কদমতলী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে ওই বছরের ৩১ অক্টোবর রায়হান খোকনকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়,মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ৫৬ জনের মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
এ মামলার প্রধান আসামি রায়হান খোকন গ্রেফতার হন ২০১১ সালের ২৭ মার্চ । ঢাকা মহানগর দায়রা জজ, হাইকোর্ট এমনকি আপিল বিভাগও তাকে জামিন দেননি।
/এসআইটি/ এপিএইচ/








