গত এক মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে ১১৫ কোটি ৪৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন মামদকসহ চোরাচালান পণ্য আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসব পণ্যের মধ্যে চার কেজির বেশি সোনাও রয়েছে।
বিজিবি সদর দফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত মে মাসে আটক মাদকের মধ্যে রয়েছে ১৪ লাখ ৭২ হাজার ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৬ হাজার ৯০৪ বোতল বিদেশি মদ, এক হাজার ৭৯২ লিটার বাংলা মদ, ২১ হাজার ৬৩৩ বোতল ফেনসিডিল, এক হাজার সাত কেজি গাঁজা, এক কেজি ৬২০ গ্রাম হেরোইন, এক হাজার ৪২৮টি এ্যানেগ্রা ও সেনেগ্রা ট্যাবলেট, ৫৫৫টি ইনজেকশন, ছয় লাখ ৮৭ হাজার ৪০টি অন্যান্য ট্যাবলেট।
অন্যান্য চোরাচালান পণ্যের মধ্যে ২৮ হাজার ২৫৪ পিস শাড়ি, নয় হাজার ২৩৪টি থ্রিপিস ও শার্টপিস, আট হাজার ৬৯৯ মিটার থান কাপড়, ছয় হাজার ৩১৭টি তৈরি পোশাক, ২৭ হাজার ৩৮০ সিএফটি কাঠ ও চার কেজি ১৯৪ গ্রাম সোনা।
গত মাসে বিজিবি’র অভিযানে মাদক পাচারসহ অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ৯৬ জন এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৭১ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া ভারত থেকে বাংলাদেশে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে সাত জন ভারতীয় নাগরিককে আটক করে তিনজনকে বিএসএফ-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং চার জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে ১৮০ জন মায়ানমার নাগরিকের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিহত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ৬৩০ কোটি ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান ও মাদক দ্রব্য আটক করেছে বিজিবি।
জেইউ/এসএমএ/








