ভবিষ্যতে যাতে পাহাড় ধসে এভাবে আর মানুষের মৃত্যু না হয়,সে জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। রাঙ্গামাটিসহ কয়েকটি পার্বত্য জেলায় পাহাড় ধসে চার সেনা সদস্যসহ নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও শোক প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
বুধবার (১৪ জুন) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিলন হলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের উদ্যোগে ‘বিশ্ব রক্তদাতা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বেচ্ছায় রক্তদান গুরুত্বপূর্ণ মানবিক কাজ। রক্তের মধ্য দিয়ে জীবন প্রবাহিত হয়। নির্ভেজাল বিশুদ্ধ রক্ত সংগ্রহের জন্য স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির সামাজিক আন্দোলনকে অব্যাহত রাখতে হবে। বিশুদ্ধ রক্তের অভাবে যেন একজন মানুষেরও মৃত্যু না হয়।’ আবার দূষিত রক্ত গ্রহণ করে মানুষ যাতে রক্তবাহিত রোগে আক্রান্ত না হন, সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান। সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. কাজী জাহাঙ্গীর হোসাইন। আরও বক্তব্য রাখেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক ডা. শেখ সাইফুল ইসলাম শাহীন।
উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, ‘রক্তের চাহিদা অনুযায়ী বছরে প্রায় ছয় লাখ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। নিরাপদ রক্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও রোগীর প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে রক্ত পৌঁছে দিতে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলোকে আরও তৎপর হতে হবে। রোগী তার প্রয়োজনে নেগেটিভ গ্রুপের রক্ত যেন যথা সময়ে পান সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
/জেএ/ এপিএইচ/
আরও পড়ুন:








