কবি ও কথা সাহিত্যিক ফরহাদ মজহারকে ফের গোয়েন্দা কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) সকালে তাকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে ডেকে আনা হয়। দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর দুপুর ১টার দিকে ডিবি কার্যালয় থেকে বের হয়ে আসেন তিনি।
ফরহাদ মজহারের বক্তব্য ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের গরমিল থাকায় বিষয়গুলো স্পষ্ট করার জন্য তাকে ডিবি কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় কথপোকথনের রেকর্ড, খুলনায় নিউ মার্কেটের সিসিটিভির ফুটেজ ও অর্চনাকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠানো এসব বিষয়ে গোয়েন্দারা তাকে প্রশ্ন করেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফরহাদ মজহারের স্ত্রী ফরিদা আখতার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তদন্তের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি পুলিশ আমাদেরকে তাদের কার্যালয়ে যেতে বলেছিল। আমি ও ফরহাদ মজহার সকাল ১১টায় ডিবি কার্যালয়ে ঢুকি। তারা আমাদের সঙ্গে কথা বলে নানা বিষয়ে জানতে চান। আমরা যা জানি তাদেরকে বলেছি। পরে একটার দিকে আমরা ডিবি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে আসি।’
উল্লেখ্য, ৩ জুলাই ভোর রাতে মোহাম্মদপুর লিংক রোডের হক গার্ডেনের নিজ বাসা থেকে বের হন ফরহাদ মজহার। এরপর ভোর ৫টা ২৯ মিনিটে তিনি স্ত্রীকে ফোন করে জানান, ‘ফরিদা, ওরা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে। ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।’ পরে তার স্ত্রী আদাবর থানায় অভিযোগ করেন।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওইদিন রাতে র্যাব-৬ যশোর নওয়াপাড়া থেকে ফরহাদ মজহারকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাকে আদাবর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) হাফিজ আল ফারুকের নেতৃত্বে তাকে যশোর থেকে ঢাকায় আনা হয়।
এরপর ফরহাদ মজহারকে নিয়ে যাওয়া হয় মিন্টো রোডের গোয়েন্দা কার্যালয়ে। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জবানবন্দি দেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হয়। জবানবন্দি দেওয়ার পর তিনি নিজ জিম্মায় যাওয়ার আবেদন করলে শুনানি শেষে তার এই আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।
/এনএল/এআর/ এপিএইচ/








