‘মশা উৎপাদনের মাত্র ১৫ শতাংশ স্থানে যেতে পারে মশক নিধনকর্মীরা’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৩ আগস্ট ২০১৭, ২৩:২৫আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০১৭, ২৩:৪৫

‘চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাই জনসচেতনতা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখছেন অতিথিরা রাজধানী ঢাকার যেসব স্থানে মশার বংশ বৃদ্ধি হয়, তার মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ স্থানে মশক নিধনকর্মীরা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শেখ সালাহ্উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘নগরে মশার বংশ বৃদ্ধির জায়গাগুলোর ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ স্থানে আমাদের কর্মীরা যেতে পারেন না। এই স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে আমাদের বাসাবাড়ির আঙিনা, ভবনের ছাদ, ফুলের টব ও এসির নিচে জমে থাকা পানি। আমাদের পক্ষে কি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে কাজ করা সম্ভব? এসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করলে এডিস মশা বংশবৃদ্ধি করতে পারবে না, চিকুনগুনিয়াও কমে আসবে। এজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। সবাই সচেতন হলে এডিশ মশা নির্মূল করা সম্ভব।’
বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) দুপুরে পুরান ঢাকার সামাজিক সংগঠন অনির্বাণ যুব সংসদ আয়োজিত ‘চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে চাই জনসচেতনতা’ শীর্ষক এক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডা. শেখ সালাহ্উদ্দীন এসব কথা বলেন। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহায়তায় হাজি আব্দুর রশিদ লেনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
পুরান ঢাকার পিরো এলাকায় মশা নিধনের জন্য ফগার মেশিন দিয়ে ওষুধ ছিটানো হচ্ছে অনুষ্ঠানে দক্ষিণ সিটির এই প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা প্রায়ই বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা ড্রেনে ফেলে দেই। ড্রেন হচ্ছে পানির স্থান। মনে রাখবেন, আমরা পনির স্থান দখল করে নিলে পানি আমাদের স্থান দখল করে নেবে।’
ডা. শেখ সালাহ্উদ্দীন আরও বলেন, ‘এডিস মশা স্বচ্ছ ও পরিষ্কার পানিতে জন্মায়। আর ময়লা পানিতে জন্মায় কিউলেক্স মশা। আমরা যদি এডিস মশার জন্মস্থানগুলো নির্মূল না করি তাহলে ভবিষ্যতে চিকুনগুনিয়ার পাশাপাশি এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু, জিকাসহ আরও কঠিন রোগ দেখা দিতে পারে। আমরা সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করেছি। যে কারণে বর্তমানে চিকুনগুনিয়া রোগ কমে এসেছে।’
পরে ডিএসসিসির মশক নিধনকর্মীরা পিরো এলাকায় মশা নিধনের জন্য ফগার মেশিন দিয়ে ওষুধ ছিটান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিএসসিসির প্রধান ভাণ্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, স্থানীয় কাউন্সিলর মো. বিল্লাল শাহা, স্থানীয় ব্যবসায়ী আমিনুর রহমান বিপ্লব প্রমুখ।
/এসএস/টিআর/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম