রাজধানীর পান্থপথে বোমা বিস্ফোরণে আত্মঘাতী জঙ্গি সাইফুল ইসলামের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনালের পুরনো ভবনের চতুর্থ তলা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে যাওয়া হয়। ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ঢামেক সূত্রে জানা গেছে, সাইফুলের লাশ ঢামেক মর্গে এসে পৌঁছায় বিকাল ৫টা ১০ মিনিটে। এরপর লাশটি জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।
সোমবার (১৪ আগস্ট) গোয়েন্দারা তথ্য পান, শোক দিবসে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে আসা মিছিলে অংশ নিয়ে জঙ্গিরা হামলা চালাতে পারে। এজন্য এক বা একাধিক জঙ্গি ৩২ নম্বরের আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। এধরনের তথ্য পেয়ে পুলিশ ওই এলাকায় গত ২/৩ দিন ধরে ব্লক রেইড চালায় । সোমবার রাতে দ্বিতীয় দফায় পান্থপথ এলাকায় ব্লক রেইড চালান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
পুলিশের ব্লক রেইড চলাকালে পান্থপথের হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনালের অন্যান্য কক্ষের অতিথিরা দরজা খুলে দিলেও ৩০১ নম্বর কক্ষের দরজা খোলেনি বলে জানান কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।
তখন ব্লক রেইডে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যরা ওই কক্ষের দরজা বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেন। এরপর সকালে পুলিশ বার বার আত্মসমর্পনের আহ্বান জানালেও তাতে সাড়া দেয়নি সাইফুল। বেলা পৌনে দশটার দিকে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
অভিযান চলাকালে সোয়াট সদস্যদের গুলি ও নিজের সঙ্গে থাকা বোমার আঘাতে নিহত হয় সাইফুল। এরপর ঘটনাস্থলে ক্রাইম সিনের কাজ শেষে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সাইফুলের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
/এআইবি /আরজে/এপিএইচ/
আরও পড়ুন:
চাকরির কথা বলে ৭ আগস্ট ঢাকায় আসে সাইফুল
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে হামলার পরিকল্পনা ছিল: আইজিপি
আত্মঘাতী জঙ্গি সাইফুলের বাবা স্থানীয় জামায়াত নেতা
হোটেল ওলিও’তে এক জঙ্গি আত্মঘাতী








