ফেসবুক ও অনলাইনে কোরবানির পশু বর্জ্য অপসারণের কাজ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি (ডিএসসিসি) করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। মেয়র নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন।
সাঈদ খোকন বলেন, ‘কোরবানি দেওয়ার পর যদি কোথাও কোনও পশু বর্জ্য দেখতে পান, তাহলে আমাদের হট লাইনের মাধ্যমে জানাবেন। আপনাদের অভিযোগ আমাদের কর্মকর্তাদের কাছে চলে আসবে। আর পুরো ব্যবস্থাপনা আমি নিজেই ফেসবুক ও অনলাইনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করবো।’
সোমবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে নগর ভবনের সামনে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় মেয়র এসব কথা বলেন।
সিটি করপোরেশন নির্ধারিত ৬২৫টি স্থানে পশু জবাই দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘নগরবাসীর প্রতি আমার অনুরোধ, আপনারা নির্ধারিত স্থানেই পশু জবাই দেবেন। এর পরেও কেউ যদি নিজেদের বাড়ির আঙিনায় পশু জবাই দেন, তাহলে পশুর রক্ত পানি দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে নেবেন। আমাদের স্থানীয় কাউন্সিলর, আঞ্চলিক কর্মকর্তা বা পরিচ্ছন্নতা কাজে নিয়োজিত কর্মীদের জানালে আমরা ব্লিসিং পাউডার, সেভলনসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দেবো। আমাদের সরবরাহ করা ব্যাগে বর্জ্য ভর্তি করে নির্ধারিত ডাস্টবিনে রাখবেন। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা তা নিয়ে যাবে। সবাই সহযোগিতা করলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই নগরীকে পরিষ্কার করতে পারবো।’
কোরবানির পশু ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘আপনারা কোনোভাবেই জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকার কোনও পশু বাজারে আনবেন না। যদি কেউ এমন কাজ করে থাকেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাটে সার্বক্ষণিক আমাদের কর্মকর্তারাসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকবে।’
মেয়র বলেন, ‘অন্যান্য বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখেছি, প্রতিবছর কোরবানির ঈদে ডিএসসিসি এলাকায় প্রায় ২৫ হাজার টন বর্জ্য উৎপাদন হয়। এ জন্য এবছর আমাদের প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কর্মী মাঠে থাকবে। এছাড়া পর্যাপ্ত যান ও যন্ত্রপাতি থাকবে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মো. বিলাল, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. সালাহউদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম প্রমুখ।
আরও পড়ুন:
ভালুকার ‘জঙ্গি আস্তানা’ থেকে ৭টি বোমা উদ্ধার








