দীর্ঘ মেয়াদে তামাক নিয়ন্ত্রণের জন্য আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক।
মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত ‘দীর্ঘস্থায়ী তামাক নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ এবং করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সেমিনারের আয়োজক ‘ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট’ নামের একটি বেসরকারি সংগঠন।
অনুষ্ঠানে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ বা ধূমপান নিয়ন্ত্রণে দেশ উল্লেখযোগ্য উন্নতি সাধন করেছে। শিক্ষিত লোকদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা কমে গেছে। পরিবহন ও অফিস আদালতে প্রকাশ্যে ধূমপান নেই বললেই চলে। সবাই তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে বেশি বেশি জানছে। মানুষ আগের থেকে এখন অনেক সচেতন। দীর্ঘ মেয়াদে অবশ্যই তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আসবে।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যে কোনও পর্যায়ের নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সব নির্বাচনেই ধূমপানের ব্যবহার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। নির্বাচন কমিশন যদি চায় নির্বাচনের সময় প্রার্থীদের ধূমপান নিয়ন্ত্রণের নির্দেশনা প্রদান করতে পারে।’
সেমিনারে জানানো হয়, বিশ্বে তামাক ব্যবহারে সর্বোচ্চ পাঁচটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান পাঁচ নম্বরে এবং প্রাপ্ত বয়স্ক লোকদের মধ্যে ৪৩ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ তামাক ব্যবহার করে।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর কর্মসূচি ব্যবস্থাপক সৈয়দা অনন্যা রহমান।
জাতীয় যক্ষা নিরোধ সমিতির সভাপতি এবং বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট এর উপদেষ্টা মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু এর সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়ক মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)-এর চেয়ারম্যান আবু নাসের খান।








