আজ ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবস। এবারের হার্ট দিবসের প্রতিপাদ্য হার্টকে নিরাপদ রাখার বিষয়ে ‘আপনার সক্ষমতাকে ছড়িয়ে দিন সবার কাছে’। কারণ, বিশ্বজুড়ে এখন অসংক্রামক রোগ হিসেবে হৃদরোগ আশঙ্কাজনক হারে বিস্তার লাভ করেছে। অসংক্রামক মরণ ব্যাধি হিসেবে হৃদরোগের অবস্থান শীর্ষে।
জানা গেছে, বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগে মৃত্যুর হার ১৫ লাখ, শ্বসনতন্ত্রের রোগজনিত মৃত্যুর হার ৪০ লাখ, ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর হার ৮২ লাখ। অন্যদিকে, হৃদরোগজনিত মৃত্যুর হার বছরে সর্বোচ্চ এক কোটি ৭০ লাখ। বিশ্বে যে পরিমাণ মানুষ মৃত্যুবরণ করে, তার শতকরা ৩১ শতাংশ হৃদরোগের কারণে।
বাংলাদেশেও হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। উন্নত আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাত্রা, অস্বাস্থ্যকর জীবনাভ্যাস, অসচেতনতা— এসব কারণে হৃদরোগ শুধু বড়দের নয়, শিশু-কিশোরদের মাঝেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ১৭ ভাগই হৃদরোগের কারণে।
চিকিৎসকরা বলছেন, প্রাত্যাহিক জীবনযাপনে ছোট কিছু পরিবর্তন এনে হৃদরোগ প্রতিরোধ সম্ভব। এসব পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে— খাদ্য তালিকায় স্বাস্থ্যকর খাবারের পরিমাণ বাড়ানো, দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপন করা, শারীরিক পরিশ্রম বাড়ানো এবং ধুমপান ছেড়ে দেওয়া।
হৃদরোগ চিকিৎসায় দেশে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল দেশে স্বাস্থ্য তথা হৃদরোগ চিকিৎসার ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। হাসপাতালটিতে চলতি বছরে ৪ হাজার ৮০৪ জন ব্যক্তিকে রিং, ডিভাইস, পেসমেকার ও বেলুন দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। একইভাবে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে এ বছর ১ হাজার ৮২৪ জন রোগীকে ওপেন হার্ট বা ভাসকুলার সার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন-
‘শিশুদের ক্যান্সার ভালো হয়, প্রয়োজন সচেতনতা’








