রাজধানীর বনানীতে ট্রেনের ধাক্কা ও কাটা পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হচ্ছেন, মো. ফেরদৌস (৩৬) ও মমিনুল ইসলাম (৬৫)। মঙ্গলবার (০৩ অক্টোবর) দুপুরে কাছাকাছি সময়ে প্রাণহানির ঘটনা দুটি ঘটে।
নিহতদের স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রেলওয়ে পুলিশের এএসআই মো.রবিউল্লাহ বলেন, ‘মঙ্গলবার দুপুরে বনানী রেল স্টেশনের অদূরে গাজীপুরগামী ট্রেনের ধাক্কায় মো. ফেরদৌস নামের এক ব্যাক্তি গুরুতর আহত হন। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে স্বজনরা খবর পেয়ে সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ফেরদৌসকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ফুপাতো ভাই মো. সেলিম জানান, ফেরদৌস ইজিবাইক চালাতেন। উত্তর বাড্ডার জিএম বাড়িতে থাকতেন তিনি। সেলিম আরও জানান, কয়েকদিন আগে মোবাইল ফোনে বাড়ির লোকজনের সঙ্গে ফেরদৌসের কথা কাটাকাটি হয়। এরপরই এ ঘটনা ঘটে। তবে এটা দুর্ঘটনা, না আত্মহত্যা এ বিষয় তিনি কিছু জানতে পারেননি। নিহত ফেরদৌসের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে।
এএসআই মো. রবিউল্লাহ জানান, ময়নাতদন্তের জন্য ফেরদৌসের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া, একইদিনে বনানীর সৈনিক ক্লাবের পাশে দুপুর আড়াইটার দিকে ট্রেনে কাটা পড়ে মমিনুল ইসলাম (৬৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রেলওয়ে পুলিশের এএসআই মো. রবিউল্লাহ বলেন, নিহত মমিনুল বনানীর চেয়ারম্যান বাড়ির বস্তিতে থাকতেন। তিনি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের মৃত সেকেন্দার ইসলামের ছেলে। ময়নাতদন্তের জন্য তার মৃতদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।








