জাপানি নাগরিক ওসি কুনিও হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি মো. মোহাদ্দেস আলী ওরফে দর্জি বিজয় ওরফে বিজয় এই হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি দিয়েছে। বুধবার (২৫ অক্টোবর) র্যাব সদর দফতর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৯ অক্টোবর বগুড়ার শাজাহানপুর থানার ডেমাজানীতে নিজের দর্জি দোকান থেকে মোহাদ্দেছ আলীকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। রিমান্ডে থাকাকালে মোহাদ্দেস আলী ওসি কুনিও হত্যায় তার জড়িত থাকার কথাসহ আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে পারিবারিক বিরোধের প্রতিশোধ নিতে জেএমবিতে যোগদান করে মোহাদ্দেস। রাজীব গান্ধির হাত ধরে জঙ্গিবাদে জড়িত হয় সে। রংপুরের একটি বাসায় রাজীব গান্ধি নিজে মোহাদ্দেসকে অস্ত্রের প্রশিক্ষণ দেয়। প্রশিক্ষণ শেষে তাকে রংপুরের কাউনিয়ায় জাপানি নাগরিক ওসি কুনিওকে হত্যার জন্য নির্বাচন করা হয়। রাজীব গান্ধির কথামতো ২০১৫ সালের ৩ অক্টোবর আনুমানিক সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার দিকে হাসান রফিকে সঙ্গে নিয়ে মোটরবাইকে করে রংপুরের সাতমাথায় যায়। সেখানে রাজীব গান্ধি তাদেরকে ‘আল্লাহর দুশমনকে মারতে হবে’ হবে বলে নির্দেশ দেয়। সে অনুযায়ী তারা মোটরসাইকেলে করে কাউনিয়া আলুটারি কাঁচা রাস্তায় পৌঁছায় ও অস্ত্রসহ অপেক্ষা করতে থাকে।
এরপর আনুমানিক সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার দিকে জাপানি নাগরিক ওসি কুনিও রিকশায় চড়ে আসার সময় রফিক তার রিকশা থামায়। এরপরই গুলি করে ওসি কুনিওকে হত্যা করা হয়। হত্যা শেষে তারা হাসানের মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। এরপর থেকে তারা কেউ কারও সঙ্গে আর যোগাযোগ করেনি।
আরও পড়ুন: ইমাম সাহেব ‘জঙ্গি’ জেনে বিস্মিত মাঠপাড়ার বাসিন্দারা








