রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া সাব্বির হোসেন (২৪) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। মোহাম্মদপুর থানার এসআই খোরশেদ আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ তাকে হত্যা করা হয়েছে।
মোহাম্মদপুর থানার ওসি জামাল উদ্দিন মীর বলেন, ‘সাব্বির হেরোইনসেবী ছিল। তাকে কেউ হত্যা করেছে, নাকি দুর্ঘটনাজনিত কারণে মারা গেছে— তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
এসআই খোরশেদ জানান, বুধবার (৮ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় মোহাম্মদপুর থানার রায়েরবাজার পুলপাড় বটতলা এলাকায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে সাব্বিরকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর সোয়া ১টায় তিনি মারা যান।
বুধবার সন্ধ্যায় নিহতের স্বজনরা ঢামেক হাসপাতালে এসে মৃতদেহটি শনাক্ত করেন।
নিহতের চাচা নজরুল ইসলাম জানান, সাব্বির হোসেন হাজারীবাগ হাশেম খান রোডের সচিবের গলির ৩/৪/৫ নম্বর বাড়ির বাসিন্দার গোলাম সারোয়ারের ছেলে।
তিনি জানান, সাব্বির মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে রাতে আর ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে খবর পেয়ে ঢামেক হাসপাতালে এসে তার লাশ শনাক্ত করা হয়।
তিনি বলেন, ‘আমরা মঙ্গলবার দিবাগত রাতে জানতে পারি সাব্বিরের দুই বন্ধুকে এলাকার কতিপয় তরুণ মারধর করে। আমার ধারনা সাব্বিরকেও এরাই মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রাখে। তার মাথা ও পেটে রক্তাক্ত জখম রয়েছে। দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সাব্বির ছোট। তার বাবা ব্যবসায়ী। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার আলগিরচর।’








