এ বছর ছয় মাসে এমিরেটস এয়ারলাইনের লাভ হয়েছে ৪৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। গত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি এই পরিমাণ অর্থ পকেটে ভরেছে। অঙ্কটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১১ শতাংশ বেশি।
এমিরেটস এয়ারলাইন, ডানাটা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত দুবাই ভিত্তিক এমিরেটস গ্রুপ বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের প্রথম অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। দুবাই থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে (১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর) এমিরেটস গ্রুপের লাভ হয়েছে ৬৩ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৭ শতাংশ বেশি। এ সময় গ্রুপের রাজস্ব আয় ছিল ১ হাজার ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলার।
এ প্রসঙ্গে এমিরেটস এয়ারলাইনের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী শেখ আহমেদ বিন সাইদ আল মাকতুম বলেন, ‘এই সাফল্যের কৃতিত্ব গ্রুপের কর্মীদের। মান ও সেবার ক্ষেত্রে কোনও আপোস না করে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মাধ্যমে ব্যবসা উন্নয়নে ঘাম ঝরিয়েছেন তারা। বিশ্বব্যাপী তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি, দুর্বল অর্থনীতি ও বিশেষ রাজনৈতিক বাস্তবতার পরও এমিরেটস গ্রুপের মুনাফায় প্রবৃদ্ধি এসেছে। এটি বিজনেস মডেলের দৃঢ়তা ও কর্মীবাহিনীর সদা তৎপরতার পরিচয় দেয়। সিট লোড ফ্যাক্টর বৃদ্ধি ও উড়োজাহাজ বহরের পরিচালনায় কঠোর নিয়ন্ত্রণের সুবাদে লাভ বেড়েছে।’
অর্ধবছরে এমিরেটস ২ কোটি ৯২ লাখ যাত্রী পরিবহন করেছে, যা পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ শতাংশ বেশি। মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রেও প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে ৫ শতাংশে। এ সময়ে ১৩ লাখ টন কার্গো পরিবহন করেছে এমিরেটস। বর্তমানে এমিরেটস বহরে ২৬৪টি উড়োজাহাজ রয়েছে, এগুলোর মাধ্যমে ৮৪টি দেশের ১৫৬টি গন্তব্যে সেবা পাচ্ছেন যাত্রীরা।
এমিরেটস্ গ্রুপের আরেক অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ডানাটার প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে ৮৪টি দেশে সেবা দিচ্ছেন তারা। প্রথম অর্ধবছরে ১৮ কোটি মার্কিন ডলার মুনাফা পেয়েছে ডানাটা, যা প্রবৃদ্ধির ২০ শতাংশ। বর্তমানে এমিরেটস্ গ্রুপে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ১ লাখ ২ হাজার ৬৬৯ জন কাজ করছেন।








