‘কোচিং নয়, প্রাইভেট পড়াই’

এস এম আববাস ও আদিত্য রিমন
০৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৯:১৯আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ২২:৪১

‘কোচিং নয়, প্রাইভেট পড়াই’ কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত ও শাস্তির সুপারিশ করে সম্প্রতি দুদক যে তালিকা করেছে, তাতে নাম রয়েছে রাজধানীর গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের গণিতের শিক্ষক মো. শাহজাহান সিরাজের। কিন্তু দুদকের অভিযোগ মানতে নারাজ তিনি। এই শিক্ষক বলেন, ‘কোচিং নয়, প্রাইভেট পড়াই। কোচিংয়ের অভিযোগ আমার জন্য মানহানিকর।’ ওই তালিকায় নাম থাকা আরও কয়েকজন শিক্ষকও কোচিংয়ের পক্ষে নানা অজুহাত দেখিয়েছেন। তাদের দাবি, তারা নিয়মের মধ্যে থেকে কিছু শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ান, কোচিং করান না। মঙ্গলবার (০৫ ডিসেম্বর) গভর্নমেন্ট ল্যাটরেটরি হাই স্কুল ও আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে গিয়ে শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বললে তারা এমন যুক্তি দেখান। দুদকের ওই তালিকায় আইডিয়ালের ৩৬ ও গভর্নমেন্ট ল্যাটরেটরির আট জন শিক্ষকের নাম রয়েছে।

গভর্নমেন্ট ল্যাটরেটরি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল খালেক খোদ দুদকের তদন্ত নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কোচিং আর কোচিং বাণিজ্য– এ দুটোকে গুলিয়ে ফেলেছে দুদকের অনুসন্ধান দল। সবখানেই কিছু না কিছু দুর্নীতি থাকে। শিক্ষকদের কেউ কেউ হয়তো জড়িত। কিন্তু এতো শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে জড়িত হতে পারেন না। সে সময় ও সুযোগ নেই সরকারি শিক্ষকদের।’

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তালিকা প্রকাশের পর শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে মো. আবদুল খালেক বলেন, ‘দুদকের শাস্তির সুপারিশ করা তালিকা এখনও হাতে পাইনি। তবে আমি নীতিমালা অনুযায়ী আগেই ব্যবস্থা নিয়েছি। আমার স্কুলের শিক্ষকদের নির্দেশনা দিয়েছিলাম, যে শিক্ষক কোচিং বা প্রাইভেট পড়াতে চান তারা অন্য স্কুলের ১০ জন শিক্ষার্থীর (যাদের পড়াবেন) নামের তালিকা জমা দেবেন। যারা কোচিং বা প্রাইভেট পড়াবেন না, তারাও লিখিতভাবে জানাবেন প্রতিষ্ঠানকে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষকরা যারা প্রাইভেট পড়ান তারা তালিকা দিয়েছেন। আর যারা পড়াতে চান না তারাও তালিকা দিয়েছেন। যারা ছাত্রদের প্রাইভেট পড়াচ্ছেন, যদি তাদের কেউ নীতিমালার বাইরে ১০ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে কোচিং করান বা কোচিং বাণিজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মাউশিকে সুপারিশ করবো।’

দুদকের তালিকায় নাম থাকা গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলের গণিতের শিক্ষক মো. শাহজাহান সিরাজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে কখনও জড়িত ছিলাম না, এখনও নেই। তবে নীতিমালা অনুযায়ী অন্য স্কুলের ১০ জন ছাত্রকে পড়িয়েছি। কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত নই। এই ধরনের তালিকা প্রকাশ আমার জন্য মানহানিকর, পুরো শিক্ষক সমাজের জন্য মানহানিকর।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুদক আমাদের সঙ্গে দেখা করেনি। আমার বাসাও চেনে না। কার কাছ নাম নিয়ে দিয়েছে, তাও জানি না। কেউ তাদের ইনটেনশনালি নামগুলো দিয়েছে। তাদের ভাষা অনুযায়ী তারা বলেছেন, আমাদের সঙ্গে দেখা করেছেন, কথা বলেছেন, আসলে তা নয়। আমার সঙ্গে দুদকের কারও কথা হয়নি। নিছকই নাম দেওয়া হয়েছে। কারও কাছে তারা হয়তো জিজ্ঞাসা করেছেন, তখন ইনটেনশনলি আমার বা আমাদের নাম বলেছে।’

আরেক শিক্ষক রনজিত কুমার শিল বলেন, ‘দু-চারটি শিশুকে প্রাইভেট পড়াই। আগে আরও কয়েকজন পড়াতাম, তাও বাদ দিয়েছি। কোচিং বাণিজ্য কিভাবে হয়? দুদকের তালিকা দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি।’

সামাজিক বিজ্ঞান শিক্ষক ড. মো. আবদুল ওয়াদুদ খান বলেন, ‘কিছুসংখ্যক শিক্ষক ছাড়া দেশের বেশিরভাগ শিক্ষকই ছাত্রদের প্রাইভেট পড়ান। আমাদের আপত্তি হচ্ছে, যারা সাইনবোর্ড দিয়ে কোচিং ব্যবসা করছেন তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেই। নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষকরা প্রাইভেট পড়ালেই সমস্যা? তাছাড়া, দুদকের কারোর সঙ্গে আমার দেখা বা যোগাযোগ হয়নি।’ সরকারি শিক্ষকদের নীতিমালার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই বলে জানান এই শিক্ষক।

ল্যাবরেটরি স্কুল সংলগ্ন এলাকা সাইন্সল্যাব কলেজ স্ট্রিট রোডে বেশ কিছু কোচিং সেন্টার রয়েছে। এসব কোচিং সেন্টারে এক সময় শিক্ষকদের কেউ কেউ জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। এ রোডের নির্মাণাধীন একটি ভবনে ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষকরা ছাত্রদের পড়াতেন বলে জানা গেছে। দু’দিন আগেও এই ভবনটি খোলা ছিল। মঙ্গলবার বাইরে থেকে তালা মারা দেখা যায়। স্থানীয়রা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এখানে বিভিন্ন রুমে এই স্কুলের শিক্ষকরা ছাত্রদের পড়াতেন। আজ  তালা মারা আছে।

ওডিসি কোচিং সেন্টারের ওপরে তিন তলায় ল্যাবরেটরি স্কুলের ইংরেজির শিক্ষক মো. আযাদ রহমান কোচিং করান বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। মঙ্গলবার সেখানে কাউকেই দেখা যায়নি।

২/১ কলেজ স্ট্রিটের ওই ভবনের তিন তলায় কোচিংয়ের বিষয়ে মো. আযাদ রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সৎভাবে জীবন যাপন করার জন্যই সরকারি নীতিমালা মেনে প্রাইভেট পড়াই। কোচিং বাণিজ্য করি না। দুদকের কোনও লোক আমার সঙ্গে দেখা করেননি। তাহলে তালিকায় নাম কেন বুঝতে পারছি না।’

দুদকের তালিকায়নাম থাকা অন্য শিক্ষকরা হচ্ছেনমোহাম্মদ ইসলাম (গণিত), জাকির হোসেন (ইংরেজি), মো. শাহজাহান (গণিত),মো. আলতাফ হোসেন খান (ইংরেজি)।

এদিকে, দুদকের তালিকায় আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩৬ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকার কথা বলা হয়েছে।

তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ বলছেন, তারা এ বিষয়ে কোনও অভিযোগ কিংবা চিঠি পাননি। মঙ্গলবার স্কুলটিতে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষকদের কেউই সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি। কয়েকজন শিক্ষককে ফোন করা হলে তারা ছাত্র পড়ানোর বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে সেটাকে কোচিং নয়, প্রাইভেট পড়ানো বলে দাবি করেছেন তারা। 

দুপুর ১২টার দিকে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে গিয়ে প্রধান শিক্ষক শাহানারা বেগমকে পাওয়া যায়নি। তিনি কখন ফিরবেন তা তার অফিস সহকারী জানাতে পারেননি।

সেখানেই কথা হয় সহকারী অধ্যক্ষ মো আব্দুল সালাম খানের সঙ্গে। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের কাছে এখনও কোনও চিঠি আসেনি। আমরা দুদক এবং মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে কোনও শিক্ষককের নামের তালিকা খুঁজে পাইনি।’

বাংলা ট্রিবিউনের কাছে থাকা দুদকের করা অভিযুক্ত শিক্ষকদের তালিকাটি দেখালে সহকারী অধ্যক্ষ আব্দুল সালাম খান বলেন, ‘সব শিক্ষক এখন ডিউটিতে আছেন। কেউ কেউ ক্লাস নিচ্ছেন, অন্যরা পরীক্ষার পরিদর্শকের ডিউটি করছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইংরেজির শিক্ষক মতিনুর এখন আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে নেই। তিনি এখন বনশ্রী শাখায় আছেন। আর ইংরেজির শিক্ষক শফিকুল ইসলাম স্কুলের ইংলিশ ভার্সনে আছেন। গণিতের শিক্ষক নাজনীন আক্তার প্রাইভেট বা কোচিং করান বলে আমার জানা নেই।’  

অভিযুক্ত শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা কেউ রাজি হননি। আব্দুল সালাম খানের মাধ্যমে তারা জানান, তারা এখনও কোনও চিঠি পাননি, তাই কোনও কথা বলবেন না।

তবে অভিযুক্ত পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক মো. মাহবুবুর রহমানকে ফোন করা হলে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘ঠিক আছে, আমি কোচিং করাই, আপনি লিখে দেন।’

বনশ্রী শাখার ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম ফোনে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি কিছু ছাত্রকে প্রাইভেট পড়াই, সেটা আমার নিজের বাসায়। সব মিলিয়ে ১০০ জনের বেশি হবে না।’

মো. শফিকুর রহমান সোহাগ (গণিত ও বিজ্ঞান) বলেন, ‘আমি গণিতের শিক্ষক, কিছু ছাত্রকে প্রাইভেট পড়াই। কিন্তু কোচিং তো করাই না।’

কোচিং বাণিজ্যে তালিকায় নাম দেখে হতবাক হয়েছেন ইংরেজি ভার্সনের বাংলার শিক্ষক মো. আব্দুর রব। তিনি ফোনে বলেন, ‘আমি আজ  পর্যন্ত একজন ছাত্রকেও প্রাইভেট পড়াইনি। তারপরও কিভাবে আমার নাম এলো আমি জানি না।’ 

তালিকায় নাম থাকা আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অন্য শিক্ষকরা হচ্ছেন, নাজিম উদ্দিন কামাল (ইংরেজি), আব্দুল মান্নান (রসায়ন), উম্মে ফাতিমা (বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরচিয়), মো. আজমল হোসনে (বাংলা), গোলাম মোস্তফা (গণিত), আশরাফুল আলম (রসায়ন), বাবু সুবাস চন্দ্র পোদ্দার (রসায়ন), লাভলী আখতার, তাসমিন নাহার, মতিনুর (ইংরেজি),  উম্মে সালমা (ইংরেজি),  মো. আব্দুল জলিল (ব্যবসায় শিক্ষা), মোহাম্মদ ফখরুদ্দীন (রসায়ন), মনিরা জাহান (ইংরেজি), ফাহমিদা খানম পরী (গণিত), লুৎফুন নাহার (গণিত), হামিদা বেগম (গণিত), নাজনীন আক্তার (গণিত), উম্মে সালমা (ইংরেজি), তৌহিদুল ইসলাম (ইংরেজি), সুরাইয়া জান্নাত (ইংরেজি), মো. সফিকুর রহমান-৩ (গণিত ও বিজ্ঞান), মো. শফিকুর রহমান সোহাগ (গণিত ও বিজ্ঞান), নুরুল আমিন (গণিত), মনিরুল ইসলাম (ইংরেজি), রফিকুল ইসলাম (সামাজিক বিজ্ঞান), গোলাম মোস্তফা (গণিত), অহিদুজ্জামান (বাংলা), মাকসুদা বেগম মালা, আলী নেওয়াজ আলম করিম, মো. আবুল কালাম আজাদ ও মো. আব্দুর রব এবং বনশ্রী শাখার মো. শফিকুল ইসলাম (ইংরেজি), মো. মাহবুবুর রহমান (পদার্থবিজ্ঞান),  মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (গণিত) ও আব্দুল হালিম (গণিত)।

কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা মহানগরের আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৯৭ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক সচিব ড. মো. শামসুল আরেফিন স্বাক্ষরিত চিঠিটি সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলোর পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, এই শিক্ষকরা অনৈতিক ও অবৈধ কার্যক্রম কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা’ ১৯৮৫ এর অধীনে অসদাচরণ করেছেন গণ্য করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

আরও পড়ুন: কোচিং বাণিজ্যে জড়িত যে ৯৭ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে দুদক 

/এএম/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম