ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সাংবাদিকের ওপর ছাত্রলীগ পরিচয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। দৈনিক ইত্তেফাকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা কবিরুল ইসলাম কানন রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে তার ওপর এই হামলা চালানো হয়।
প্রশাসন-৩ এর সেকশন অফিসার মো. নিজামউদ্দিন ও আহসানুল কবিরের বিরুদ্ধে হামলার এই অভিযোগ উঠেছে।
কবিরুল ইসলাম কানন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের রেজিস্ট্রার ভবনে অনেক অনিয়ম চলে। কর্মকর্তারা সময়মতো অফিসে আসেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। সকাল ৯টার দিকে আমি এসব অনিয়মের বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাই। বিভিন্ন কক্ষের চেয়ারগুলো খালি দেখতে পাই এবং সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রশাসন-৩ এর সেকশন অফিসার মো. নিজামউদ্দিন ও আহসানুল কবির আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং মোবাইলে ধারণ করা দৃশ্যগুলো ডিলিট করতে বাধ্য করে। এসময় মো. নিজামউদ্দিন নিজেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন বলে দাবি করেন।’
এ ঘটনার বিচার চেয়ে উপাচার্য বরাবর অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই সাংবাদিক।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান এ ঘটনার বিষয়ে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। কবির শুধু সাংবাদিকই নয়, সে আমাদের শিক্ষার্থীও। যা ঘটেছে তা পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত। বিষয়টা আমরা খতিয়ে দেখবো।’
সেকশন অফিসার নিজামউদ্দিনের ছাত্রলীগ পরিচয় ব্যবহার করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি আবিদ আল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তিনি একজন কর্মকর্তা হয়ে ছাত্রলীগ পরিচয় ব্যবহার করে খুবই খারাপ কাজ করেছেন। আমরা মাননীয় উপাচার্যের কাছে অবশ্যই অভিযোগ জানাবো তিনি কী করে ছাত্রলীগ পরিচয় ব্যবহার করেন।’
সেকশন অফিসার মো. নিজাম উদ্দিনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মারধর করার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, 'পরিস্থিতিটা বুঝতে পারিনি। পুরো ঘটনার জন্য আমি দুঃখিত।'








