শীতের থাবায় জড়সড় জনপদ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৯ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:০০আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:০৯

 

কয়েকদিন ধরেই দেশজুড়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার চলছে। এর মধ্যেই সোমবার (৮ জানুয়ারি) দেশের ইতিহাসের রেকর্ড সর্বনিম্ন তাপমাত্রার দিনটি পার হয়ে গেল। এদিন সকাল থেকেই আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসগুলো হতে নিম্ন তাপমাত্রার সংবাদ আসতে থাকে। বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের তীব্রতা আরও বেশি। পঞ্চগড়, নীলফামারী, রংপুর, রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, পাবনা, পঞ্চগড়, গাইবান্ধা, মৌলভীবাজার, চুয়াডাঙ্গাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ হিম হয়ে গেছেন শেষ পৌষের জেঁকে বসা শীতে। এসব জেলায় বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিনিধিরা সরেজমিনে শীতের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিনিধিরা জানান, টানা কয়েকদিন সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে না দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, কিছু কিছু জায়গায় দুপুরের পর আলোর দেখা মিললেও উষ্ণতা নেই তাতে। দরিদ্র, হত দরিদ্র ও ছিন্নমূলের জীবন ওষ্ঠাগত হয়ে পড়েছে। মহাসড়ক-সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাট-বাজারের ভিড় শীতে উবে গেছে। দশ দিকে শুনশান নিরবতা। ঘন কুয়াশায় রবি শস্যের বীজতলা নষ্ট হয়ে যেতে বসেছে। ঠাণ্ডার কারণে লোকজন ঘরবন্দি হয়ে পড়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষেরা। ফলে পরিবার নিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারেও থাকতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষদের। ছড়িয়ে পড়ছে শীতজনিত রোগ। পৌষের পরশে শুধু দরিদ্ররাই নয়, শিশু ও বয়স্করাও বেশ বেকায়দায় পড়েছে।


শীতের দুপুরে পঞ্চগড় আমাদের পঞ্চগড় প্রতিনিধি জানান, সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেতুলিয়াতে পরিমাপ করা হয়েছে দেশের ইতিহাসের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় হিম হয়ে গেছে দেশের উত্তরপ্রান্তের এ জেলার বাসিন্দারা। এর আগে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সেটাও ১৯৬৮ সালের কথা। ৫০ বছর আগে শ্রীমঙ্গলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার থেকেও এবার দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কম পরিমাপ করা হয়েছে। উত্তর জনপদের আরেক জেলা নীলফামারীতেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তেতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের উচ্চ পর্যবেক্ষক মো. জাকির হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রচণ্ড শীতে হিম হয়ে যাচ্ছে দেশের উত্তরপ্রান্তের এ জেলার বাসিন্দারা। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ, এ কারণে রাস্তাঘাট একেবারেই ফাঁকা, মহাসড়কে ভর দুপুরেও হেড লাইট জ্বালিয়ে চলতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে।

শীত মোকাবিলায় প্রশাসনের ভূমিকার ব্যাপারে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পাঁচ উপজেলায় ইতোমধ্যে ৩০ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। আরও ২০ হাজার কম্বল চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে।’ সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান শীতার্তদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন বলেও তিনি জানিয়েছেন জেলা প্রশাস অব্যবস্থাপনার কারণে প্রকৃত ব্যক্তিরা শীতবস্ত্র থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দাবি করে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘প্রতিবছর সরকারি-বেসরকারিভাবে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। বিতরণকারীদের অনেকেই এসব কম্বল নিজেদের আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে বিতরণ করায় প্রকৃত শীতার্তরা কম্বল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।’


পঞ্চগড়ে পলিথিন দিয়ে ঘন কুয়াশা থেকে বীজতলা বাঁচানোর চেষ্টা
নীলফামারী থেকে বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ঠাণ্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে জেলার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। তীব্র শীতে দুর্ভোগ বাড়ছে ছিন্নমূল মানুষের। ঠাণ্ডায় ফসলের ক্ষেতেও কাজ করতে পারছেন না কৃষকরা। সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা লোকমান হোসেনের বরাত দিয়ে তিনি জানান, এর আগে ২০১৩ সালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অথচ একদিন আগেও নীলফামারীর তাপমাত্রা ছিল ৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এক রাতের ব্যবধানেই তাপমাত্রার এই অবনমন সার্বিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছে মানুষের জীবনকে।

সোমবারে রংপুরের রাস্তা

এদিকে রংপুর থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার জেলার তাপমাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আলীর বরাত দিয়ে আমাদের প্রতিনিধি জানান, তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না নগরবাসী। এদিকে শীতজনিত রোগবালাই বিশেষ করে নিউমোনিয়া, কোল্ড ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, জ্বর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্তদের বেশির ভাগই শিশু ও বয়স্ক মানুষ। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, শীতজনিত রোগে গত তিন দিনে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২১০ শিশু ভর্তি হয়েছে। শিশুরা কোল্ড ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়া শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া রোগেও আক্রান্ত হচ্ছে। শীতে অসুস্থ নারী, পুরুষ ও শিশুদের জরুরি চিকিৎসার জন্য রংপুর বিভাগের আট জেলার ৫৪টি উপজেলায় ৬২টি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. শাহিনা আখতার জানান, জরুরি সেবা দিতে জেলায় ৬২টি মেডিক্যাল টিম কাজ করবে।

তীব্র শীতে পাবনায় খালি সড়ক

পাবনা প্রতিনিধি জানান, ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পাবনায়। এ বছর তো বটেই, পাবনায় এখন পর্যন্ত এটাই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস আর ঘন কুয়াশার মধ্যে মহাসড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। পাশাপাশি শিডিউল বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে ট্রেন চলাচল।এদিকে দরিদ্র ও মধ্যবিত্তরা কনকনে ঠাণ্ডা আর হিমেল হাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে পুরনো শীতবস্ত্র কিনতে হকার্স মার্কেটে ভিড় করছেন। নিজেদের চাহিদামতো দরদাম করে জ্যাকেট, সোয়েটার, মাফলার, টুপি, হাতমোজা ও কম্বল কিনছেন তারা।

মৌলভীবাজারে আগুন জ্বেলে ঠাণ্ডা তাড়ানোর চেষ্টা

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি জানান, তীব্র শৈত্যপ্রবাহে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা আরও কমেছে। সোমবার শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শৈত্যপ্রবাহ আরও দু-একদিন থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আনিছুর রহমান আজ সোমবার সকালে মুঠোফোনে বলেন, শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রবিবার ছিল ৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিনি আরও বলেন, সারাদেশে আরও দু-একদিন এমন পরিস্থিতি থাকবে। এরপর থেকে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা আছে।

রাজশাহীতেও আগুন দিয়ে শীত তাড়ানোর চেষ্টা

রাজশাহী প্রতিনিধি জানান, এ বছর প্রচণ্ড শীতে বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে এলাকায়। শীত তাড়াতে আগুন জ্বেলে তাপ নিচ্ছেন স্থানীয়রা। রাজশাহী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাজশাহীতে বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটাই এ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। শনিবার তা ছিল ৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

বগুড়া

বগুড়া প্রতিনিধি জানিয়েছেন, প্রচণ্ড শীতে কাঁপছে বগুড়াও। প্রতিদিনই একটু একটু করে কমছে তাপমাত্রা। সোমবার (৮ জানুয়ারি) বগুড়ার তাপমাত্রা ছিল ৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া জানানগত ৩-৪ দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলছে। রবিবার সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন ৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বিকাল ৩টায় সর্বোচ্চ ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

শীতের কাপড় বেচাকেনায় ধুম পড়েছে

নওগাঁ প্রতিনিধির কাছে জানা যায়, গত কয়েক দিন ধরে সন্ধ্যা নামার পর থেকেই কুয়াশা ঘন হয়ে আসছে। দুপুর ১২টা- সাড়ে ১২টার আগে সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে না। ঘন কুয়াশার সঙ্গে হালকা শৈত্যপ্রবাহ বইছে। ক্রমশ শীতের তীব্রতা বাড়ছে। এতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন জেলার হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ। সির্ভিল সার্জন মকবুল হোসেন বলেন,‘শীতের কারণে রোগীর পরিমাণ অনেক বেড়েছে। এখন পর্যন্ত ভর্তি রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি হলেও, এটাকে অস্বাভাবিক বলা যাবে না। তবে শীত যেভাবে বাড়ছে তাতে আগামী কয়েকদিনে রোগীর সংখ্যা আরও  বাড়তে পারে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগ যে কোনও ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।

জীবজন্তুকেও শীতের কাপড় পড়াতে হচ্ছে

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তীব্র হাড় কাপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের বরাত দিয়ে তিনি আরও  জানান, সোমবার সকালে এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঘন্টায় ৭ কিলোমিটার গতিবেগে বাতাস বয়েছে। গত এক সপ্তাহে এ জেলায় সূর্যের মুখ সামান্য সময়ের জন্য দেখা মিলেছে। কিন্তু সূর্য বেশিক্ষণ রোদের উত্তাপ ছড়াতে পারেনি ফলে উষ্ণতা ছড়ায়নি, শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের জীবনযাত্রা

বাংলা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধিরা নিজ অঞ্চলের মানুষদের সঙ্গে কথা বলে জানিয়েছেন,  টানা কয়েকদিনের শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে লোকজন ঘর থেকে বের হতে পারছে না। কাজকর্ম না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন অনেকে। শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন জেলার হতদরিদ্র মানুষেরা। তীব্র শৈত্যপ্রবাহে মানুষের পাশাপাশি পশুপাখি ও জীবজন্তু কাঁপছে। গাছের পাতা থেকে টপ টপ করে চুয়ে পড়ছে বৃষ্টির পানির মতো শিশিরের ফোটা। এখনও সামনে বাকি আছে মাঘ মাস, শীত নিয়েই ভাবছে এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষেরা।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

/এএইচ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
কুমিল্লায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও আরেক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
টিভিতে আজকের খেলা ( ৪ জুন, ২০২৬)
টিভিতে আজকের খেলা ( ৪ জুন, ২০২৬)
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম