রাজধানীর কাওরানবাজারে বিজিএমইএ ভবনের সামনে বেতন-ভাতার দাবিতে জড়ো হওয়া পোশাককর্মীদের ওপরে বিজিএমইএ’র লোকজনের হামলায় ২৬ জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর দুইটার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। আহত ব্যক্তিরা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে পুলিশের দাবি, বিজিএমইএ ভবনে শ্রমিকরা হামলার চেষ্টা করেছিল।
আহত পোশাককর্মী মামুন জানান, তিনি রামপুরায় আশিয়ানা গার্মেন্ট কারখানার কর্মী। দুমাসের বেতন বকেয়া রেখে গত ২৯ জানুয়ারি কর্তৃপক্ষ কারখানাটি বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে তারা বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। আজ বুধবার বিজিএমইএ ভবনে মালিকপক্ষের সঙ্গে তাদের বৈঠকে বসার কথা ছিল। একারণে তারা সকাল ১১টার দিকে সেখানে জড়ো হন। কিন্তু মালিকপক্ষ বৈঠকে বসেনি। এরপর দুপুর দুইটার দিকে বিজিএমইএ’র লোকজন তাদের ওপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। এতে ২০ থেকে ২৬ জন কর্মী আহত হন।
আহতদের মধ্যে মামুন, আবুল, রহিমা, উজ্জল, রাসেল, শাহনাজ, রাশেদ, সুমি, রাবেয়া, মর্জিনা, নার্গিস, লাইলি, মৌসুমীসহ কয়েকজনের নাম জানা গেছে।
ঢামেক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহমুদ জানান, আহতদের শরীরে লাঠি এবং ইটের আঘাত রয়েছে। এ পর্যন্ত ২৬ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির এসআই বাচ্চু মিয়া আহত পোশাককর্মীদের চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রমনা থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম জানান, বিজিএমইএ ভবনে শ্রমিকরা হামলার চেষ্টা করেছিল। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এখন পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
ওসি জানান, দুপুর ১২টা থেকে পৌনে ১টা পর্যন্ত শ্রমিকরা বিজিএমইএ ভবনের সামনে অবস্থান নেন। তারা বাইরে থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে বিজিএমইএ ভবনের গ্লাস ভাঙচুর করেছেন। তারা ৪০-৫০ মিনিট রাস্তা অবরোধ করে রাখেন।








