৭ মার্চের ভাষণের স্থানে মঞ্চ ও বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে আরেকটি রুল

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৪ মার্চ ২০১৮, ১৪:৩৭আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৮, ১৫:১৬

হাইকোর্ট ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণের স্থানে সীমানা নির্ধারণ করে তা সংরক্ষণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই স্থানে ৭ মার্চের আদলে মঞ্চ পুনর্নির্মাণ করে বঙ্গবন্ধুর ভাষণরত ভাস্কর্য নির্মাণে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। পাশাপাশি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এর জবাব দিতে বলা হয়েছে। এর আগে ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর একই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটের পর ওই দিনই রুল জারি করেন আদালত।

রবিবার (০৪ মার্চ) এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ মহসীন রশিদ। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট লুৎফুন কাদির। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

পরে মহসীন রশিদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রিট মামলা মূলত জনস্বার্থে দায়ের করা হয়। কিন্তু এই রিটটি জাতীয় স্বার্থে দায়ের করা হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের চারজন প্রকৌশলী রিটটি দায়ের করেছেন। আমরা আদালতে শুনানি করেছি। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছেন।’

তবে এর আগেও একই বিষয়ে রুল জারি করা হয়েছিল, আজ পুনরায় সেই বিষয়ে রুল জারি করা হলো। এর ফলে পৃথক রুল দুটির আইনি প্রক্রিয়া কি হবে তা জানতে চাইলে মহসীন রশিদ বলেন, ‘রিটকারীরা জানতেন না এর আগেও এ নিয়ে রুল জারি করা হয়েছে। তবে এখন আদালত চাইলে দুটি রুলেরই একসঙ্গে শুনানি হতে পারে।’

রবিবার (৪ মার্চ) সকালে প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মাসুদসহ চারজন প্রকৌশলী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন। পরে শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেন। এর আগে ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর একই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে রিট করেছিলেন আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। পরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ভাষণের স্থানে মঞ্চ পুনর্নির্মাণ করে সেখানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ ও দিনটিকে ঐতিহাসিক দিবস হিসেবে কেন ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের ওই রিটে বিবাদী করা হয়েছিল। বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মাদ উল্লাহের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ রুলসহ ওই আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামীপন্থী আইনজীবী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করে তাপস কুমার বিশ্বাস।

 

/বিআই/এনআই/চেক-এমওএফ
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম