বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। ১১ এপ্রিল এ মামলার অভিযোগ গঠনে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রবিবার (১১ মার্চ) রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মাহমুদুল কবির এ আদেশ দেন।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে সময় চেয়ে আবেদন করা হলে তা মঞ্জুর করেছেন আদালত।’
এ ব্যাপারে অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া জানান, খালেদা জিয়া অন্য একটি মামলায় কারাগারে আছেন। আমরা আদালতকে তা অবহিত করে সময় চেয়েছি। আদালত শুনানি শেষে পরবর্তী অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য এই দিন ধার্য করেছেন।
নাইকো দুর্নীতি মামলার ব্যাপারে তিনি আরও জানান, ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পরে ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় দুদক। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে তা কানাডার কোম্পানি নাইকোর হাতে তুলে দেওয়ার মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা ক্ষতি করেছেন। আসামিপক্ষ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করলে হাইকোর্ট ওই বছরের ৯ জুলাই এ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং রুল দেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্স-এর সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্স-এর সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সাংসদ এমএএইচ সেলিম এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া-বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।








