নেপালে বিমান দুর্ঘাটনায় আহতদের চিকিৎসায় যা যা প্রয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার নেপাল থেকে দেশে আসা আহত তিন যাত্রীকে শাহজালাল বিমানবন্দরে দেখতে গিয়ে মন্ত্রী একথা জানান।
শুক্রবার বিকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ০৭২ ফ্লাইটে নেপালের কাঠমান্ডুতে প্লেন দুর্ঘটনায় আহত মেহেদী হাসান, আলমুন নাহার অ্যানি ও সৈয়দা কামরুন নাহার স্বর্ণাকে দেশে নিয়ে আসা হয়ে। ফ্লাইটটি তিনটা ৩৫ মিনিটের দিকে অবতরণ করে। আহত ওই তিন যাত্রীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিমান দুর্ঘটনা বেদনার ঘটনা। বিমানমন্ত্রী নেপালে সঙ্গে সঙ্গে গিয়েছিলেন। সেখানে চিকিৎসকের ঘাটতি ছিল, এ কারণে ডিএনএ টেস্টের প্রক্রিয়া ধীর ছিলো। আমাদের এখান থেকে চিকিৎসক পাঠানো হয়েছে, এখন দ্রুত ডিএনএ টেস্ট করা হচ্ছে। যখনই ডিএনএ টেস্ট শেষ হবে আমরা দেরি করবো না। দ্রুত ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ শুরু করবো। গতকাল পাইলট ও কো-পাইলটসহ তিনজনের পরিবারের সঙ্গে আমি দেখা করেছি।’
এখন তদন্ত হওয়ার আগে বলতে পারছি না কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটলো উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘তদন্তের আগে কিছু বলা ঠিক হবে না। এখন আমাদের চ্যালেঞ্জ নিহতদের পরিবারের কাছে লাশ ফিরিয়ে দেওয়া। ইউএস-বাংলা সব কিছুর ব্যবস্থা করবে। যদি তারা ব্যর্থ হয় শেখ হাসিনার সরকার করবে। এ দুর্ঘটনার পর যা যা করণীয় শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনার সরকার করবে। আমরা পাশে থাকবো।’
ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, ‘ক্ষতিপূরণের বিষয়ে নিয়ম আছে ৫০ হাজার ডলার করে দেওয়ার। জীবনের ক্ষতিপূরণ হয় না। যা গেছে চলেই গেছে। তারপরও কোনও পরিবার সমস্যায় পড়লে আমাদের নেত্রী বলেছেন সহায়তা করবেন।’
এর আগে, মন্ত্রী আহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। বিমান মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম ফারুক, অতিরিক্ত সচিব জিয়াউল হক, বিমান সিবিএ সভাপতি মশিকুর রহমান ও সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান নাইম হাসান, সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালনা) মোস্তাফিজুর রহমান, শাহজালালের পরিচালক কাজি ইকবাল করিম উপস্থিত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।








