রাজধানীর খিলক্ষেতের শ্যাওড়া এলাকায় বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ইসরাত জাহান রিপ্তি (১৫) নামে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এঘটনায় রিপ্তির মামাও গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ মার্চ) বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে শ্যাওড়া এলাকায় বলাকা সার্ভিস পরিবহনের একটি মিনিবাস তাদের চাপা দেয়। এসময় রিপ্তি তার মামার সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিল। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। রিপ্তির মামা খালিদ হোসেন লিটন (৩২) গুরুতর আহত হন। লিটনকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। বাসটির চালক তাজুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, মোটরসাইকেলটিকে বলাকা সার্ভিসের একটি বাস পেছন দিক থেকে চাপা দেয়। এরপর বাস নিয়ে চালক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন মোটরসাইকেলটি বাসের চাকার সঙ্গে আটকে যায়। এতে প্রথমে রিপ্তি চাকার নিচে পিষ্ট হয়। কিছুদূর গিয়ে মামা লিটনও রাস্তার ওপরে পড়ে যান। পথচারী ও বাসযাত্রীরা বাসচালককে গাড়ি থামাতে বলে। এরপর গাড়িটি থামালে লিটনকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই রিপ্তির মৃত্যু হয়। পুলিশ এসে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর লিটনকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়। তিনি বর্তমানে সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।
খিলক্ষেত থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নিহত শিক্ষার্থীর লাশ পরিবারের সদস্যরা বাসায় নিয়ে গেছেন। আমরা বাসটির চালক তাজুল ইসলামকে আটক ও বাসটিকে জব্দ করেছি।’
আহত লিটনের স্ত্রীর ছোট ভাই শাহেদ ঢামেক হাসপাতালে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তাদের বাসা খিলক্ষেত নিকুঞ্জ এলাকায়। লিটন তার ভাগ্নিকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা এলাকায় যাচ্ছিলেন। এসময় বাসটি পেছন দিক থেকে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়।’
নিহত রিপ্তি শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবার নাম জহিরুল হক। দুই বোনের মধ্যে সে ছিল ছোট।








