পথ ভুলে পরিবার থেকে হারিয়ে গেছে ওরা চার জন। মা-বাবার নাম বলতে পারলেও বাসা বা বাড়ির ঠিকানা বলতে পারছে না এই শিশু-কিশোরীরা। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া এই চার জন এখন আছে তেজগাঁওস্থ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগে।
চার জনের মধ্যে জয়নবের বয়স ৮ বছর। তার বাবার নাম মোহাম্মদ, মা সুফিয়া বেগম। তাকে শাহআলীর নিউ ব্লক মসজিদুল মোকারম মসজিদের সামনে থেকে পাওয়া যায়। তার গায়ের রঙ শ্যামলা, উচ্চতা ৩ ফুট ১০ ইঞ্চি। পরনে ছিল টিয়া প্রিন্ট রঙের হাফ হাতা গেঞ্জি ও সুতির লাল হাফ প্যান্ট।
মোছা. শাহিনূরের বয়সও ৮ বছর। তার বাবার নাম শাহ আলম, মা নূরজাহান। তাদের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা। গত ২৪ মার্চ সন্ধ্যায় তাকে পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়। তার গায়ের রঙ শ্যামলা, উচ্চতা ৩ ফুট ১০ ইঞ্চি, পরনে ছিল লাল প্রিন্টের ফ্রক ও লাল রঙা টাইস।
স্বজনদের খোঁজে থাকা আরেকজন হলেন রোকসানা (১৮)। তিনি বাকপ্রতিবন্ধী। গত ১৬ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার এশিয়ান হাসপাতালের সামনে স্থানীয়রা তাকে পেয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। তার গায়ের রঙ ফর্সা, উচ্চতা ৫ ফুট। এই কিশোরীর পরনে ছিল লাল ফ্রক ও সালোয়ার।
ভিকটিম সেন্টারে থাকা আরেক কিশোরী নাজমিন (১৩)। তার বাবার নাম কাইয়ুম শেখ, মা কুলছুম। তাদের গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরে। গত ২৩ মার্চ সন্ধ্যা ৭টার দিকে খিলগাঁওয়ের ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসের সামনে থেকে পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়। তার গায়ের রঙ শ্যামলা, উচ্চতা ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি, পরনে ছিল হলুদ সাদার মধ্যে জলপাই রঙা প্রিন্টের ফ্রক।
ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের ডিউটি অফিসার এসআই সাবিনা বলেছেন, ‘শিশু-কিশোরীরা আমাদের এখানে নিরাপদে আছে। তারা পরিবারের কাছে ফিরতে চায়। তাদের অভিভাবকদের কোনও ঠিকানা কারও জানা থাকলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। যোগাযোগের নম্বর ০১৭৪৫৭৭৪৪৮৭, ৯১১০৮৫।’








