বেসরকারি শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণসহ ১১ দফা বাস্তবায়নে শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটির চলমান আন্দোলন রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগিয়ে কোনও স্বার্থান্বেষী মহল যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতে পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
বুধবার (২৮ মার্চ) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর থেকে এ সংক্রান্ত আদেশটি জারি করা হয়। গত ৪ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়, ‘শিক্ষকদের এ আন্দোলনকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগিয়ে কোনও স্বার্থান্বেষী মহল যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য পরামর্শ প্রদান করা যেতে পারে।’
শিক্ষামন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা সংস্থার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণসহ ১১ দফা বাস্তবায়নের আন্দোলন রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। গোয়েন্দা সংস্থা সুপারিশসহ প্রতিবেদন পেশ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ওই প্রতিবেদনসহ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে।
অধিদফতর থেকে জারি করা পত্রে ঢাকাসহ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার আট বিভাগের পরিচালক, উপ-পরিচালক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।








