‘ধর্ষণ বিষয়টি আমরা সেক্সুলাইজ করছি, কিন্তু যেখানে এটাকে ক্রিমিনালাইজ করার কথা। আবার সেক্সুয়াল সিম্বলটাকে নারীর ওপর দেওয়া হয়েছে, তাকে মানুষ হিসেবে দাঁড় করানো হচ্ছে না, সেক্সুয়াল প্রোডাক্ট করা হচ্ছে। আমাদের সমাজে এটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে, নারী দেখলেই আকর্ষণ বোধ করি।’ বৃহস্পতিবার (২৯ মার্চ) বিকালে বাংলা ট্রিবিউনের ‘পোশাক বিতর্ক’ শীর্ষক বৈঠকিতে অংশ নিয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘এই ধর্ষণ বা অনিয়ন্ত্রিত আকর্ষণ বোধকে মানসিক বিকৃতি বলা যাবে না, এটা তো কুরুচিপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি। এই অনিয়ন্ত্রিত আকর্ষণ বোধ কেউ কি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না? আপনার লোভ হলো, ঝাঁপিয়ে পড়লেন তাহলে যুগের পরিবতর্নের সঙ্গে সঙ্গে এত শিক্ষা, এত নীতি-নৈতিকতা শিক্ষা দিয়ে লাভটা কি হলো?’
ডা. তাজুল ইসলাম আরও বলেন, ‘একসময় মানুষ পোশাকই পরতো না, মানুষের নীতি-নৈতিকতাবোধ ছিল না, তখন হলেও মানতে পারতাম, এখন তো সেই বন্য পরিবেশ থেকে আমরা সামাজিক মানুষ হয়েছি। তাহলে এখন কেন? শুধু তাই নয়, একজন ধর্মভীরু কি ধর্ষণ করতে পারে?’
আরও পড়ুন: ‘পোশাককে দায়ী করে মূলত অপরাধীকে পার করে দেওয়ার প্রবণতা থাকে’
রাজধানীর শুক্রাবাদের বাংলা ট্রিবিউন স্টুডিও থেকে এ আয়োজন সরাসরি সম্প্রচার করে এটিএন নিউজ। পাশাপাশি বাংলা ট্রিবিউনের ফেসবুক ও হোমপেজেও লাইভ দেখা যায় বৈঠকি।
মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় বৈঠকিতে আলোচনায় আরও অংশ নেন লেখক ও মানবাধিকার কর্মী বৃত্বা রায় দীপা, হেফাজতে ইসলামের শুরা সদস্য মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক জোবাইদা নাসরীন, নিউ আর্থ কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক ও নারী সাইক্লিস্ট সালমা আক্তার রুনী এবং বাংলা ট্রিবিউনের চিফ রিপোর্টার উদিসা ইসলাম।






