শুক্রবার (৩০ মার্চ) দুপুর থেকে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের বজ্রসহ বৃষ্টির মধ্যে সন্ধ্যায় ঢাকায় নেমে আসে ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা বৃষ্টি। আবহাওয়া অফিস বলছে, তাদের পূর্বাভাসে শনিবার (৩১ মার্চ) সকাল পর্যন্ত সারাদেশে বজ্রসহ শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া আছে। আজ রাতেই ঢাকার আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
সকাল ৯টায় দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী— রাজশাহী, টাঙ্গাইল, পাবনা, বগুড়া, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কি. মি. বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদী বন্দরগুলোকে দুই নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই পূর্বাভাস শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত সারাদেশে বেশকিছু এলাকায় বৈরী আবহাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, কুড়িগ্রাম ও পঞ্চগড়ে শিলা বৃষ্টিসহ প্রবল ঝড় বয়ে গেছে। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
রংপুর নগরীসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রচণ্ড ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এ সময় বজ্রাঘাতে দুজন মারা গেছেন। অন্যদিকে ঝড়ে ঘরবাড়ি ও গাছপালা উপড়ে কমপক্ষে ৫০ জন আহত হন। বজ্রাঘাতে মারা যাওয়া শামিমের বাড়ি বদরগঞ্জ ও নয়া মিয়ার বাড়ি তারাগঞ্জে। তারা দুজনই ছিলেন ক্ষেতমজুর।
আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আগামীকাল (শনিবার) নাগাদ দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। কালবৈশাখীর আগমনের আগে এটি খুবই স্বাভাবিক। রাজধানী ঢাকায় আজ রাতের মধ্যেই আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়ে আসবে।’








