বিএনপির শীর্ষ আট নেতার ‘সন্দেহজনক’ ১২৫ কোটি টাকার ব্যাংকিং লেনদেন তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার সন্ধ্যায় দুদকের একজন উপ-পরিচালক বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিএনপির এই নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থপাচার ও নাশকতায় অর্থ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পত্তি অর্জনেরও অভিযোগ রয়েছে। তাই এসব অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে। দুদকের উপ-পরিচালক ঋত্বিক সাহা স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে আট নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
দুদক যাদের লেনদেনের তদন্ত করবে তারা হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও মির্জা আব্বাস; দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু ও এম মোর্শেদ খান; যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও নির্বাহী সদস্য তাবিথ আউয়াল।
এছাড়াও মোর্শেদ খানের ছেলে ব্যবসায়ী ফয়সাল মোর্শেদ খান এবং ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের বিষয়েও দুদক অনুসন্ধান করবে।
দুদক কর্মকর্তাদের সন্দেহ, বিএনপি নেতাদের ওই অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়েছে এবং নাশকতায়ও ব্যবহার হয়েছে। তাই বিষয়টি দুদক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে দেখবে।
এই তদন্তের জন্য দুদক একটি কমিটি করেছে। কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন সংস্থার উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলম। তাকে সহযোগিতা করবেন সহকারী পরিচালক মো. সালাহ উদ্দিন।








