৩৬তম বিসিএস নন ক্যাডারে সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীরা প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির যেকোনও পদে সুপারিশের দাবি জানিয়েছেন। আগামী ১০ মের মধ্যে এ দাবি না মানা হলে আমরণ অনশনসহ স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। শনিবার (২৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের পক্ষে দাবি তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ৩৬তম বিসিএসে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ৩২৬ জন। প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং মৌখিক এই তিনটি ধাপ শেষ করে পিএসসি চূড়ান্ত ফলে ৫ হাজার ৬৩৩ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে ২ হাজার ২২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডার এবং পদস্বল্পতার জন্য ৩ হাজার ৩০৮ জনকে নন ক্যাডার তালিকায় রাখা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ৭০০ জন প্রার্থী নন ক্যাডারে চাকরির জন্য পিএসসিতে আবেদন করেন। এরপর পিএসসি এই ২ হাজার ৭০০ জন প্রার্থীকে সুপারিশ করার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদফতর এবং পরিদফতরে শূন্যপদের চাহিদা চায়। ফলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে ১ম ও ২য় শ্রেণির শূন্যপদের চাহিদা পিএসসিতে আসে। অনেক মন্ত্রণালয় শূন্যপদ থাকা সত্ত্বেও চাহিদা পিএসসিতে পাঠায়নি।
সম্মেলনে আরও বলা হয়, গত ১৫ মার্চ ১ম শ্রেণিতে মাত্র ২৮৪টি পদে এবং ৬ দিন পর ২২ মার্চ ২য় শ্রেণিতে ৯৮৫টি পদে অর্থাৎ ২৭০০ জন যোগ্য প্রার্থীর মধ্যে ১ হাজার ২৬৯ জনকে সুপারিশ করেই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়। অর্থাৎ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ১ হাজার ৪৩১ জন প্রার্থী সুপারিশবঞ্চিত হয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ১ হাজার প্রার্থী বেকার এবং বেশিরভাগ প্রার্থীর চাকরির বয়স শেষ।
সম্মেলন থেকে তাদের দাবি মানতে ১০ মে পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। দাবি পূরণ না হলে মানববন্ধন, আমরণ অনশন কিংবা স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের মতো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে জানান প্রার্থীরা।








