বাংলাদেশ প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতা ইমরান হাবিব রুমনকে কারাগারে আটকে রাখা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা৷ বৃহস্পতিবার (৩ মে) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ মন্তব্য করেন৷
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রগতিশীল ছাত্রজোটের সমন্বয়ক গোলাম মোস্তফা৷ লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১৯ এপ্রিল বরিশালে ব্যাটারিচালিত রিকশা সংগ্রাম কমিটি আয়োজিত ভুখা মিছিল ও সমাবেশ থেকে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের কেন্দ্রীয় নেতা ইমরান হাবিব রুমনসহ অনেককে গ্রেফতার করা হয়৷ এরপর পুলিশি হেফাজতে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়৷
এতে আরও বলা হয়, বরিশালের ওই ঘটনা সরকার ও পুলিশ বাহিনীর অগণতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী আচরণের উদাহরণ৷ আমরা মনে করি, গণমানুষের পক্ষের শক্তিকে দমিয়ে দেওয়ার গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই পুলিশ এ মিথ্যা মামলা ও নির্যাতন করছে৷ শুধু ব্যাটারিচালিত রিকশা শ্রমিকদের নয়; অন্যান্য শ্রমজীবী মানুষের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনেও পুলিশি হামলা বন্ধের জোর দাবি জানাই আমরা৷
সংবাদ সম্মেলনে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের পক্ষ থেকে কিছু দাবি জানানো হয়৷ এগুলো হলো– অবিলম্বে ইমরান হাবিব রুমনসহ ১৫ জনের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে, পুলিশি হেফাজতে নেতাকর্মীদের নিপীড়ন-নির্যাতনের ঘটনার বিচার করতে হবে, অবিলম্বে নেতাকর্মীদের নামে দায়ের হওয়া মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে৷
সংবাদ সম্মেলন থেকে শুক্রবার (৪ মে) ঢাবির টিএসসি থেকে সন্ধ্যা ৬টায় মশাল মিছিল ও ৬ মে ছাত্রজোটের কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে বরিশালে প্রতিবাদ সমাবেশ এবং সারাদেশের জেলায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ও কলেজে মশাল মিছিলের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন– প্রগতিশীল ছাত্রজোটের সমন্বয়ক গোলাম মোস্তফা, ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ইকবাল কবীর প্রমুখ৷








