ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, সাইবার সিকিউরিটি, ডিজিটাল সিকিউরিটিসহ এ ধরনের আইনগুলো গণমাধ্যমের ওপর একধরনের চাপ তৈরি করে। এছাড়া দেশে যখন-তখন গণমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টিও চাপ তৈরি করে।
দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের আয়োজনে শুরু হওয়া ‘আইন ও অনুভূতির চাপে মিডিয়া’ শীর্ষক বৈঠকিতে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমাদের সাইবার সিকিউরিটিতে অনেকগুলো আইনের কথা বলা আছে। এগুলোর মধ্যে সাংবাদিকদের সবচেয়ে প্রতিবাদের জায়গা ৫৭ ধারা। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করা যাবে না মনে করে এই অইনটি যখন আসলো, তখনই সমালোচনা হলো কেউ কোনও কথা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত মনে নাও করতে পারে। কারও দুর্নীতি তুলে ধরা মানেই কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করা মনে নাও হতে পারে। এ কারণেই এই ধারাটি বিতর্কিত। এরপর ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনেও একই ধরনের ধারা রাখা হয়েছে। এসব কারণে গণমাধ্যমে তো চাপ আছেই।’
তিনি বলেন, ‘এছাড়া দেশে অনেকগুলো গণমাধ্যম বন্ধ হয়ে যেতে দেখেছি। আমার দেশ, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভিসহ বেশ কিছু পত্রিকা বন্ধ হলো। কেন হলো? একটা চাপ তো ছিলই। এছাড়া এখন পর্যন্ত মাহফুজ আমানসহ যেসব সাংবাদিককে মামলার পর মালমা দিয়ে নাজেহাল করা হলো, তারা সবাই দেশের বিখ্যাত সাংবাদিক। তারা যদি এত হয়রানি হন, তাহলে সাধারণ সাংবাদিকরা তো আরও বেশি বেশি মামলার মুখোমুখি হবে! চাপ তো এখানেই তৈরি করে। সেই চাপ শুধু আইনি, তা কিন্তু নয়। রাজনৈতিক চাপ, অভ্যন্তরীণ চাপও রয়েছে। আর সাংবাদিকদের এই মুক্তচিন্তাকে এসব আইন দিয়ে চাপ প্রয়োগ করার মধ্য দিয়ে সীমারেখা তৈরি করা হয়েছে।’
বৃহস্পতিবার (৩ মে) বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে শুরু হওয়া বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজ সরাসরি সম্প্রচার করছে। রাজধানীর শুক্রাবাদে বাংলা ট্রিবিউন স্টুডিও থেকে এ আয়োজন বাংলা ট্রিবিউনের ফেসবুক ও হোমপেজেও লাইভ দেখা যাচ্ছে।
ছবি: নাসিরুল ইসলাম








