রাজধানী মিরপুরের সরকারি বাঙলা কলেজের ছাত্রী শুভ্রা মাহমুদাকে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান অনিকের মারধরের ভিডিও মামলার তদন্তের জন্য আমলে নেবে পুলিশ। ভিডিওটির বিষয়ে ভুক্তভোগী শুভ্রার সঙ্গে কথা বলবেন তদন্ত কর্মকর্তা। শনিবার (৫ মে) দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিমুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সেলিমুজ্জামান বলেন, ‘বাদী আমাদের বিষয়টি জানাননি। তিনি যে মামলাটি করেছেন, সেটি এখনও তদন্তাধীন। তদন্ত কর্মকর্তাকেও ভিডিওটি তিনি দিতে পারতেন। তবে দেননি। আমরা গণমাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। ভিডিওটি কবের সেটিও জানি না। তবে মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন যেকোনও তথ্য-উপাত্ত আমরা আলামত হিসেবে নেবো।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করবো। ভিডিওটি মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে অবশ্যই আমরা সংগ্রহ করবো।’
আরও পড়ুন: সরকারি বাঙলা কলেজের ছাত্রীকে ছাত্রলীগ নেতার মারধরের সেই ভিডিও প্রকাশ
গত বছরের ২৪ অক্টোবর দুপুরে বাংলা কলেজ ছাত্রলীগ শাখার সভাপতি মুজিবর রহমান অনিক তার সহযোগী শেখ রাশেদ রহমান, ফয়েজ আহম্মেদ নিঝু, সাদেক প্রধানীয়া, মাসুম রাজু, জিলেন হাওলাদার, রিয়াদ হোসেন ও হাফিজ হাওলাদারকে নিয়ে শুভ্রার বাসায় গিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করে। রুটির বেলুনি দিয়ে মারধরের পাশাপাশি কিল-ঘুষি ও গলাটিপে শুভ্রাকে হত্যার চেষ্টা করে তারা। পরে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করলে তিনি দারুস সালাম থানায় গিয়ে এ ঘটনায় মামলা (নম্বর ৩৭) দায়ের করেন।
দারুস সালাম থানার ওসি বলেন, ‘আসামিরা সবাই জামিনে রয়েছে। মামলাটি এখনও তদন্ত চলছে।’
ঘটনার ছয় মাস পর ভিডিও প্রকাশ করলেন ভুক্তভোগী শুভ্রা মাহমুদা। বৃহস্পতিবার (৩ মে) তার ফেসবুকে তিনি ওই ভিডিও প্রকাশ করেন।
ভিডিওতে দেখা গেছে, অনিক ও তার এক সহযোগী রুটি তৈরির বেলুনি দিয়ে শুভ্রা ও তার এক রুমমেটকে বেধড়ক মারধর করছে। ভিডিওটি এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।








