গাজীপুরের সালনায় ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। একমাসের বেশি সময় আগে মামলা হলেও আসামি আল আমিন শিশির (১৯) এখনও স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশ বলছে, আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। কিন্তু তল্লাশি চালিয়েও তার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।
গত ৩১ মার্চ ধর্ষণের শিকার এক তরুণী গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে শিশিরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ভুক্তভোগীর পরিবার বলছে, আসামিকে হাতের কাছে পেয়েও পুলিশ গ্রেফতার করছে না।
অভিযুক্ত আসামি আল আমিন শিশির গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার দক্ষিণ সালনা এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে। সে জয়দেবপুর চৌরাস্তার একটি কলেজে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
ধর্ষণের শিকার তরুণীর অভিযোগ, চার বছর ধরে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে আল আমিনের। গত ২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে আল আমিন তাকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সালনায় তার চাচা তাহাজ উদ্দিনের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তাকে একটি কক্ষে নিয়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করে সে। পরে তাড়াতাড়ি সেখান থেকে তাকে বের করে দেয় আল আমিন। পরে ভুক্তভোগী তরুণী আল আমিনকে বিয়ের কথা বললে সে বিভিন্ন হুমকি দেয় এবং বিয়ে করতে পারবে না বলে জানায়।
ভুক্তভোগী তরুণী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘ঘটনার প্রায় ১ মাস পর সকালে আল আমিনকে সালনা বাজারে পেয়ে তার দেওয়া বিয়ের প্রতিশ্রুতির কথা বলি। কিন্তু সে আমাকে নানা ধরনের হুমকি দিয়ে বলে, সে আমাকে বিয়ে করতে পারবে না।’
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও জয়দেবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামীম হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা আসামি আল আমিনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছি। কিন্তু তার নির্দিষ্ট কোনও অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।’ সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া গেলেও হাসপাতালের রিপোর্টে ধর্ষণের কোনও আলামত পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।








