আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে আইন করে খাবারে ক্ষতিকর টেস্টিং সল্ট ব্যবহার বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে দোকান মালিক সমিতি, বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি এবং কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (১০ মে) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলানায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘বিশুদ্ধ ও নিরাপদ খাদ্য ভোক্তার মৌলিক অধিকার। আর এই অধিকারের বিষয়টিকে সরকারের নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের সকলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে সরকার ফরমালিনের অবাধ ব্যবহারের ওপর কঠিন শাস্তির বিধান রেখে আইন প্রণয়ন করেছে। ফলে এখন ফরমালিনের ব্যবহার প্রায় বন্ধ। এই টেস্টিং সল্টের ব্যবহার, আমদানি এবং বিক্রয়ের গ্রহণযোগ্য মাত্রা নির্ণয় করতে হবে অথবা ঝুঁকিপূর্ণ হলে আইন করে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।’
টেস্টিং সল্টের ক্ষতিকর প্রভাব উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘টেস্টিং সল্ট এক ধরনের লবণ, যার রাসায়নিক নাম মনসোডিয়াম গ্লুটামেট। টমেটোতে প্রাকৃতিকভাবেই থাকে এই লবণ। কৃত্রিমভাবে তৈরি এই লবণ গ্রহণ করলে তা ব্রেইনের স্বাদ চিহ্নিত করার কোষকে উজ্জীবিত করে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই লবণ গ্রহণকারী ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ লোকের মাথা ব্যথা, মাংসপেশী শক্ত হয়ে যাওয়াসহ শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিয়েছে। রক্তচাপ এবং ওজন বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্লুটামেট দায়ী। এফডিএ’র খাদ্য তালিকায় একে সাধারণ নিরাপদ খাদ্য ঘোষণা করা হলেও শর্ত দেওয়া আছে- যে সব খাবারে এটি থাকবে, সেসব খাবারের প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকতে হবে এবং সুনির্দিষ্ট মাত্রার পরিমাণ উল্লেখ থাকতে হবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ইতোমধ্যে এই কৃত্রিম লবণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার রুহুল আমিন, কনজ্যুমার এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি গোলাম রহমান প্রমুখ।








