রমনা মডেল থানা কার্যালয় স্থান পরিবর্তন করে কাকরাইল এলাকায় নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রমনা থানার বর্তমান নিজস্ব ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এবং বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য সেটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার ১১ টায় ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে অস্থায়ী থানা ভবনটি উদ্বোধন করেন। এসময় ডিএমপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমানে ৫১, কাকরাইল সেগুনবাগিচা, রাজস্ব ভবনের বিপরীত পাশে ৪ তলা ভবনটিতে রমনা থানার সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
ডিএমপি জানিয়েছে, রমনা থানার ভবনটি অনেক পুরাতন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় থানা কমপ্লেক্সটি ভেঙে নতুন করে আধুনিক ১৪ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। নতুন ভবন সম্পূর্ণভাবে শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্থায়ীভাবে উল্লেখিত জায়গায় রমনা মডেল থানা জনসাধারণকে সব প্রকার সেবা প্রদান করবে।
অস্থায়ীভাবে থানা কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কমিশনার বলেন, রমনা থানা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ থানা। বহুদিনের থানা হওয়ায় ভবনটি ছিল জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন থানা ভবনটিতে আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধা থাকবে। জনবান্ধব পুলিশিং এর জন্য আমরা অহর্নিশ পরিশ্রম করে যাচ্ছি। বর্তমানে ডিএমপি’র থানার সেবার মান অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের ডিটেকশনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে কেউ অপরাধ করলে অতি দ্রুত সময়ে অপরাধীকে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।
এ সময় নগরবাসী, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং জনপ্রতিনিধিদেরকে পুলিশের পাশে থেকে সহায়তা করার আহবান জানান ডিএমপি কমিশনার।
এর আগে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস) কৃষ্ণপদ রায়,উপ-পুলিশ কমিশনার (রমনা) মো. মারুফ হোসেন সরদার, রমনা থানা আওয়ালী লীগের সভাপতি মো. মোখলেছুর রহমান ও রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী মাইনুল ইসলাম ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মো. শাহাব উদ্দিন কোরেশী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মীর রেজাউল আলম , অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) দেবদাস ভট্টাচার্য্যসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।








