রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত পরিকল্পিত গণনৃশংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য-প্রমাণ ও পর্যবেক্ষণসহ আনুষ্ঠানিক অভিমত জানানোর আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। মঙ্গলবার (২৯ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পর্যবেক্ষণ পাঠালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংসতা বিষয়ে আইসিসি’র আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হবে। এতে ন্যায়বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরির পাশাপাশি মিয়ানমার ও তাদের প্রশ্রয় দেওয়া রাষ্ট্রগুলোর ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি হবে।
আইসিসি’র প্রাক-বিচারিক শুনানির আগে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নিপীড়ন বিষয়ে বাংলাদেশের অভিমত ১১ জুনের মধ্যে পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে আইসিসি।
টিআইবির বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সরকার এখনও এর সুনির্দিষ্ট জবাব প্রদান নিয়ে দোলাচলে রয়েছে।
টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানের সই করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের ওপর অন্যায়ভাবে চাপিয়ে দেওয়া দশ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর বোঝা ও দায় মিয়ানমার সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মানবতাবিরোধী অপরাধের ব্যাপারে ন্যায়বিচারের আশার আলো হয়ে দেখা দিয়েছে আইসিসি’র এ উদ্যোগ এবং এ ব্যাপারে বাংলাদেশের দ্ব্যর্থহীন অবস্থান একে গতিশীল করবে।’
এছাড়া আইসিসি’র সদস্য রাষ্ট্র ও রোম সংবিধি অনুমোদনকারী হিসেবে নৈতিকভাবে বাংলাদেশ গণনৃশংসতাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার সপক্ষে ভূমিকা পালন করতে পারে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।








