ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জাতীয় গাইড লাইন সংস্কারসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (১১ জুন) নগর ভবনের ব্যাংক ফ্লোরে অনুষ্ঠিত এক অবহিতকরণ সভায় এ কথা জানানো হয়।
সভার সভাপতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শেখ সালাহউদ্দীন বলেন, ‘ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আগের চেয়ে আমরা বেশ সচেষ্ট। মশা নিধনে লার্ভিসাইড ও এডাল্টিসাইড ওষুধ নিয়মিত ছিটানো হচ্ছে। সচেতনতা বৃদ্ধির মতোই ডাক্তার ও নার্সদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে নানা কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে।’ এছাড়া ডেঙ্গু রোগ শনাক্তকরণে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে কিট বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সভায় জানানো হয়, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় এডিস মশার তিনটি জরিপ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাডা বিমানবন্দরেও মশা জরিপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. এম এম আক্তারুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘এডিস মশার কারণে জরাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার কমেছে।’
মূল প্রবন্ধে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকার ৯৩টি ওয়ার্ডের ১০০টি জায়গায় একটি জরিপ চালানো হয়েছে। যারমধ্যে ১৯ জায়গায় বেশি মশা পাওয়া গেছে। এডিস প্রজনন মৌসুমে ৯০-৯৭টি বাড়িতে/স্থানে এডিসের লার্ভা পাওয়া যায়। প্রবন্ধে নতুন জাতীয় গাইড লাইনটি প্রিন্টিংয়ের কাজ চলছে বলেও জানানো হয়।
ভবিষ্যতে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সভায় বলা হয়, নির্দিষ্ট সময় পরপর এডিস মশার কীটতাত্ত্বিক জরিপ কাজ পরিচালনা, উৎসস্থল চিহ্নিতকরণ ও তা ধ্বংস, গনণসচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা এবং স্কুল-কলেজ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা হবে। পাশাপাশি ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া বিষয়ে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ বৃদ্ধির প্রতিও সুপারিশ করা হয়।
সভায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের কীটতত্ত্ববিদ খলিলুর রহমান ও ডিএসসিসির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।








