শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য ১৩০ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। যা গত অর্থ বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গতবারে এ বাজেটের পরিমাণ ছিলো ১০৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ বাজেট ঘোষণা করেন শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।
ঘোষিত বাজেট থেকে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের মোট ১৩০ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বাজেটের মধ্যে বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে ৯৩ কোটি ৫ লাখ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে (মোট বাজেটের ৭১.৩ শতাংশ)। যা গত অর্থবছরে ছিল ৭৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা। সরবরাহ ও সেবা খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২৩ কোটি টাকা, তারমধ্যে ১০০ শতাংশ বৃদ্ধিতে ইন্টারনেট খাতে ২২ লাখ টাকা, ১০৯ শতাংশ বৃদ্ধিতে গবেষণায় ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা (গবেষণা মঞ্জুরিতে বরাদ্দ ৬০ লাখ টাকা), সেমিনার কনফারেন্সে ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধিতে ৩০ লাখ টাকা, ১২১ শতাংশ বৃদ্ধিতে নিরাপত্তা প্রহরী খাতে দুই কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া মেরামত ও সংরক্ষণ বাবদ দুই কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে যেখানে অ্যাকাডেমিক ভবন মেরামত বাবদ ৬০ লাখ টাকা রাখা হয়েছে। মূলধন মঞ্জুরি খাতে ১১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে যা গত বছরে ছিল ৭ কোটি টাকা। মূলধন মঞ্জুরি খাতে যানবাহন কেনা বাবদ ১২৭ শতাংশ বৃদ্ধিতে ২ কোটি টাকা, কম্পিউটার কেনা বাবদ ৬০ লাখ টাকা, ল্যাব যন্ত্রপাতি বাবদ ১৪৬ শতাংশ বৃদ্ধিতে ৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বাজেট ঘোষণা পরবর্তী শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ বাজেটে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও গবেষণা খাতে বরাদ্দের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং আরো বরাদ্দের চেষ্টা করছি।
শিক্ষার্থীদের পরিবহণ সমস্যা নিরসনে এ বছরের জুলাইয়ে দুইটি বাস ও আগামী বছরের জানুয়ারিতে দুইটি বাস কেনা হবে বলে জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাস এসময় বলেন, প্রতিনিয়ত বাজেটের মান বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বাজেটে আর্থিক স্বচ্ছতার দিক দিয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সারির দিকে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।








